বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ করিমগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলি জমি বিলীন, ভাঙনের মুখে গ্রাম হারানো মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা, কিশোরগঞ্জ পুলিশের সাফল্য

বাগেরহাটে বই পায়নি বেশিরভাগ শিক্ষার্থী

বাগেরহাটে নতুন বছরের প্রথম দিনে বই পায়নি বেশিরভাগ শিক্ষার্থী। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রথম থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থীর বই পাওয়ার কথা থাকলেও, শিক্ষার্থীদের কাছে বই পৌঁছাতে পারেনি শিক্ষা বিভাগ।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বাগেরহাটে ১ হাজার ১৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বেসরকারি কিন্ডার গার্টেন ও বিশেষায়িত স্কুলের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সব বই পেয়েছে। আর তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পেয়েছে শুধুমাত্র খ্রিষ্টান ধর্মের বই। প্রদান করা মোট বইয়ের সংখ্যা এক লাখ ৮৮ হাজার ৯৭৩টি; যা চাহিদার মাত্র ২৬ শতাংশ। প্রাথমিক পর্যায়ের এখনও ৭৪ শতাংশ শিক্ষার্থী নতুন বই পায়নি। সে হিসেবে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা কোনো বই পায়নি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাসরিন আক্তার বলেন, এখনও ৭৪% শিক্ষার্থী নতুন বই পায়নি। তবে আমরা দ্রুততম সময়ে বই সরবরাহের চেষ্টা করছি।
এদিকে মাধ্যমিক পর্যায় অর্থাৎ ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি, মাদরাসা, কারিগরি বিভাগের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বই পায়নি। গতকাল দুপুর পর্যন্ত বাগেরহাটে শুধুমাত্র ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বই পৌঁছেছে। অন্য কোনো শ্রেণির কোনো বই জেলায় এখনও পৌঁছায়নি।
বাগেরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম ছায়েদুর রহমান বলেন, আমরা শুধুমাত্র মাধ্যমিক পর্যায়ের ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বই পেয়েছি। বইয়ের সংখ্যা এখনই বলা যাচ্ছে না। এছাড়া মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগের কোনো বই এখনও পাইনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page