রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ড্রাম ট্রাক চাপায় নিহত থানা যুবদলের আহবায়ক কামাল স্মরণে শোক্ সভা অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু । চলে গেলেন না ফেরার দেশে এক পুলিশ সদস্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহনপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া। সায়দাবাদ চিশতিয়া সাইদিয়া দরবার শরীফ, জামে মসজিদের ২০০ ফিট উঁচু মিনার নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোদন। মসজিদে মাদকবিরোধী সচেতনতা: কঠোর অবস্থানের বার্তা পুলিশের চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের আমবাড়িয়ায় গতকাল পিটিয়ে বৃদ্ধাকে হত্যার প্রধান আসামি রিকুকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে তেল মর্দন/তোষামোদী করে সুবিধা হাতিয়ে নিতে তৎপর কিছু ব্যাক্তি বিশেষ, সাবধান থাকতে হবে এমপিকে চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সালিশ বৈঠকে একজনকে পিটিয়ে হত্যা অবৈধ ভাবে সাগর পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রাক্কালে আন্দামান সাগরে ট্রলার ডুবি: ২৭৩ নারী-পুরুষের মাঝে জীবিত উদ্ধার ৯ জন , নিখোঁজ ২৪৬

লিবিয়ায় মরুভূমিতে গণকবরের সন্ধান

লিবিয়া কর্তৃপক্ষ দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব মরুভূমিতে দুটি গণকবর থেকে এই সপ্তাহে প্রায় ৫০টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। বিশৃঙ্খলা-কবলিত উত্তর আফ্রিকার দেশটি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন বিভিন্ন দেশের বহু মানুষ।

আজ  লিবিয়ার নিরাপত্তা অধিদপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুক্রবার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কুফরা শহরের একটি খামারে ১৯টি মৃতদেহসহ প্রথম গণকবরটি পাওয়া গেছে। কর্তৃপক্ষ তাদের ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে গেছে।

কর্তৃপক্ষ তাদের ফেসবুক পেজে ছবি পোস্ট করেছে। যেখানে পুলিশ কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের বালিতে খনন এবং কম্বলে মোড়ানো মৃতদেহ উদ্ধার করতে দেখা যাচ্ছে।

পূর্ব ও দক্ষিণ লিবিয়ার অভিবাসীদের সাহায্যকারী দাতব্য সংস্থা আল-আবরীন জানিয়েছে, গণকবরে দাফন করার আগে কিছু লোককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কুফরার নিরাপত্তা চেম্বারের প্রধান মোহাম্মদ আল-ফাদিলের মতে, একটি মানব পাচার কেন্দ্রে অভিযান চালানোর পর কুফরায় কমপক্ষে ৩০টি মৃতদেহসহ একটি পৃথক গণকবরও পাওয়া গেছে। তিনি আরও বলেন, জীবিতরা জানিয়েছেন কবরে প্রায় ৭০ জনকে সমাহিত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এখনও ওই এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে।

লিবিয়ায় অভিবাসীদের গণকবর পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। গত বছর, কর্তৃপক্ষ রাজধানী ত্রিপোলি থেকে ৩৫০ কিলোমিটার (২২০ মাইল) দক্ষিণে শুয়ারিফ অঞ্চলে কমপক্ষে ৬৫ জন অভিবাসীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।

আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকারী অভিবাসীদের জন্য লিবিয়া একটি প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট। ২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত বিদ্রোহের পর দেশটি বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়ে। দীর্ঘকালীন স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতন ও হত্যার পর দেশটি বিশৃঙ্খলা বেড়ে যায়। তেল সমৃদ্ধ লিবিয়া গত দশকের বেশিরভাগ সময় ধরে পূর্ব এবং পশ্চিম লিবিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার শাসন করছে। প্রতিটি সরকারই মিলিশিয়া এবং বিদেশি সরকারগুলির একটি গোষ্ঠী সমর্থিত।

মানব পাচারকারীরা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অস্থিতিশীলতার সুবিধা পেয়েছে। চাদ, নাইজার, সুদান, মিশর, আলজেরিয়া এবং তিউনিসিয়াসহ ছয়টি দেশের সীমান্ত পেরিয়ে অভিবাসীদের পাচার করছে তারা।

একবার উপকূলে পৌঁছানোর পর পাচারকারীরা ইউরোপে উন্নত জীবনের জন্য মরিয়া অভিবাসীদের ভঙ্গুর রাবারের নৌকা এবং অন্যান্য জাহাজে করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ভূমধ্যসাগরীয় পথে পাঠায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page