বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ করিমগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলি জমি বিলীন, ভাঙনের মুখে গ্রাম হারানো মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা, কিশোরগঞ্জ পুলিশের সাফল্য

সিনেমা দেখে গুপ্তধনের খোঁজে গ্রামবাসী, রাতভর চলল মাটি খোঁড়াখুঁড়ি!

মুক্তির পর থেকেই আলোচনায় ভিকি কুশল- রাশমিকা মান্দানা অভিনীত ছবি ‘ছাবা’। খুব অল্প দিনেই ৫০০ কোটির গণ্ডি টপকে বক্স অফিসে ঝড় তুলে দিয়েছে ছবিটি। শুধু তাই নয়, দর্শকদের মনস্তত্ত্বেও ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে ফেলেছে এই ছবি। তবে এর প্রভাব যে মারাত্মক সুদূরপ্রসারী হবে, তা হয়ত কেউ কল্পনাতেও আনেনি। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, এই সিনেমা দেখে গুপ্তধনের খোঁজে বেরিয়েছে একদল গ্রামবাসী; রাতভর চলেছে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি! ভারতের মধ্যপ্রদেশের একটি গ্রামে ঘটেছে এমন অদ্ভুত ঘটনা।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, হঠাৎ করেই রাতের অন্ধকারে টর্চ, শাবল হাঁতে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন সেই গ্রামের বাসিন্দারা। বুরহানপুরের আসিরগড় নামের একটি জায়গায় খননকাজে মধ্যরাতেই বেরিয়ে পড়েন তারা। তাদের ধারণা, মাটি খুঁড়ে মুঘল আমলের কিছু স্বর্ণমুদ্রা কিংবা গুপ্তধনের হদিশ মিললেও মিলতে পারে। অনেকে আবার দাবি করেছেন, ওই এলাকায় নাকি কেউ কেউ স্বর্ণমুদ্রাও দেখতে পেয়েছেন।

বলা বাহুল্য, ভিকি কৌশলের ‘ছাবা’ দেখার পর সেই ভাবনা আরও চাগাড় দিয়েছে। কারণ সেই ছবিতে বুরহানপুরের নাম নেওয়া হয়েছে। দেখানো হয়েছে, এককালে মুঘলদের বাস এখানেই ছিল। আর সেখান থেকেই তাদের মনে হয়েছে- এখানেই লুকিয়ে রয়েছে মুঘলদের গুপ্তধন। আর এটি জানার পরই যন্ত্রপাতি নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন গ্রামবাসীরা।
যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত বৃহস্পতিবার সেই অঞ্চলে গিয়ে খোঁড়াখুড়ি করা জনতার কোনো হদিশ পাওয়া যায়নি। পরে পুলিশের সাহায্যে গ্রামবাসীদের খননকার্য বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়। এমনকি সেই অঞ্চলে গুপ্তধন পাওয়ার সম্ভাবনাও তারা উড়িয়ে দিয়েছেন।

তবে সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর পক্ষ থেকে সেই ভিডিও প্রকাশ্যে এলো- আর তাতেই ইন্টারনেটে হাসির রোল। সেখানেই দেখা গেল, গ্রামবাসীরা শাবল-গাঁইতি, এমনকি কোদাল দিয়ে দুর্গের চারপাশে খননকার্য শুরু হয়েছে। আনা হয়েছে মেটাল ডিটেক্টরও। আর বুরহানপুরের সেই আজব কীর্তিই বর্তমানে চর্চার শিরোনামে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page