বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ মে ঢাকায় সাংবাদিক সমাবেশ জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ মে ঢাকায় সাংবাদিক সমাবেশ কক্সবাজারের ইনানীতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ মাদক পাচারকারী আটক কলার প্রলোভনে শিশুকে ফাঁদে ফেলতে চেয়েছিল! সুন্দরগঞ্জে ধর্ষণচেষ্টা মামলায় অভিযুক্ত গ্রেফতার” ভয়াল ২৯ এপ্রিল মীরসরাই সহ পুরো চট্টগ্রামের মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় স্বজন হারানোর কথা শ্রীপুরে মহাসড়ক কেটে ড্রেন নির্মাণ: জনদুর্ভোগ ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি তালিকায় ড. ইসরাফিল শাহীন মানবতার ফেরিওয়ালা হাজী আমিনুল ইসলাম, জনবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে মাঠে পুলিশ সুপার কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: আবারও পিছিয়েছে চট্টগ্রাম ২ ফটিকছড়ি আসনের এমপি সরোয়ার আলমগীরের আপিল শুনানি

শীতকালে স্বাস্থ্য সহায়ক কিছু খাবার

শীতকালে নতুন রোগ থেকে বাঁচতে খাদ্য তালিকায় যুক্ত করতে হবে তাজা ফলমূল ও শাক-সবজি। বিশেষ করে শীতে আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশী বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি পাওয়া যায়। আর এগুলো দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রাখলেই শীতে স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক হবে।

আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক খাবারগুলো কি কি-

তাজা ফলমূল ও শাক-সবজি: ফল ও শাক-সবজি প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ‘এ’, খনিজ ও ফাইটোকেমিক্যাল সরবরাহ করে, যা সংক্রমণের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে। এ জন্য বেছে নিতে পারেন ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, শসা, ব্রকোলি, শালগম, বিভিন্ন ধরনের শাক ইত্যাদি।

লাইকোপেনসমৃদ্ধ খাবার: লাইকোপেনসমৃদ্ধ খাবারগুলোতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে বেশি, যা দেহের ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে। এ জন্য বেশি করে টমেটো, গাজর, লাল চেরি, লালশাক ইত্যাদি খাওয়া উচিত।

ভিটামিন ‘সি’: অসুস্থতার তীব্রতা হ্রাস ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভিটামিন ‘সি’। এই করোনাকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে সবার নজর দেওয়া খুব জরুরি। এ জন্য খাওয়া যেতে পারে সাইট্রাসযুক্ত ফল লেবু, আমড়া, আমলকী, জলপাই, কমলা ইত্যাদি।

জিংক : ইমিউন সিস্টেম সচল রাখতে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে জিংক। এ জন্য খাওয়া যেতে পারে দুধ, ডিম, লাল মাংস, মটরশুঁটি, বাদাম, গোটা শস্যদানা ইত্যাদি জিংকসমৃদ্ধ খাবার।

ভিটামিন ‘ডি’ : শীতকালে সূর্যের আলো প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় না। ফলে দেহে ভিটামিন ‘ডি’র ঘাটতি হতে পারে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। এ জন্য খাওয়া যেতে পারে ডিম, কমলার রস, মাশরুম, চিজ, পনির, ঘি, বাটার, তিল, দুধ ইত্যাদি।

পানি : শীতকালে হাইড্রেট থাকা খুব জরুরি। তা না হলে দেহ পানিশূন্য হয়ে স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। এ জন্য খেতে হবে পর্যাপ্ত পানি। এর পাশাপাশি খাওয়া যেতে পারে বিভিন্ন রসালো ফল, যেমন : কমলা, আঙুর, স্ট্রবেরি, তরমুজ, বিভিন্ন সবজির স্যুপ ইত্যাদি।

মসলা : দেহের ভেতর উষ্ণতা রাখতে গরম খাবারের পাশাপাশি মসলাজাতীয় খাবারদাবার থাকা বেশ জরুরি। এসব খাবার পেশিগুলোকে অভ্যন্তরীণভাবে উষ্ণ রাখে। এ জন্য খেতে হবে আদা, রসুন, কাঁচা মরিচ, হলুদ, দারচিনি ইত্যাদি।

হরমোনের তারতম্য রক্ষায়ঃ শীতের সময় দেহে সেরোটোনিনের মাত্রা কমে যেতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে কম সূর্যের আলোর অভাবে ঘুমের হরমোন ‘মেলাটোনিন’ বেশি উৎপাদিত হয়। তখন ক্লান্তি বা অলসতা বেড়ে যেতে পারে। এ জন্য দৈনন্দিন খাবারের পাশাপাশি খাওয়া উচিত বাদাম, আস্ত শস্যদানা, মিষ্টি আলু, বিট, স্কোয়াশ, সূর্যমুখীর বীজ ইত্যাদি খাবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page