শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ছাত্রদল নেতা নিহত, প্রতিবাদ এবং হত্যা কারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ এইমাত্র বনানীতে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় দুইজন স্পটেই নিহত হয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মসূচী ঘোষণা জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ লক্ষ টাকার ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার কামরাঙ্গীরচরে প্রিন্টিং কারখানায় আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস নতুন এসপি মিজানুর রহমানের হাতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের প্রত্যাশা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা শুরু

জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান–সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
রোববার  বেলা পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে এ আলোচনা শুরু হয়।

আজকের আলোচনায় মূলত সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে দলগুলোর মতপার্থক্য কতটা কমেছে, তা শুনবে কমিশন। দলগুলো চাইলে বিশেষজ্ঞদের সুনির্দিষ্ট ও পরিমার্জিত পরামর্শও প্রস্তাব আকারে তুলে ধরতে পারে কমিশন।
৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে তৈরি হচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ। খসড়া প্রায় চূড়ান্ত হলেও বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে এখনও ঐকমত্য হয়নি। এ কারণে চূড়ান্ত সনদ প্রকাশ আটকে আছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করে ঐকমত্য কমিশন। ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিন আলোচনা হলেও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। আজকের বৈঠকে আলোচনা শেষ না হলে আরেক দিন বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন কমিশনের কর্মকর্তারা।
কমিশনের লক্ষ্য, ১৫ অক্টোবরের মধ্যে দলগুলোর স্বাক্ষর নিয়ে সনদের পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া।

সূত্র জানায়, জুলাই সনদের কিছু প্রস্তাব নির্বাহী আদেশ বা অধ্যাদেশ জারি করে বাস্তবায়ন করা সম্ভব—এ বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। তবে বিতর্ক রয়ে গেছে সংবিধান–সম্পর্কিত প্রস্তাব বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বরের আলোচনায় কমিশন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ প্রস্তাব আকারে উপস্থাপন করেছিল। সে প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, মৌলিক সংস্কারগুলো নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার একটি ‘সংবিধান আদেশ’ জারি করতে পারে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে গণভোটের মাধ্যমে তা অনুমোদনের প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে বিএনপিসহ কয়েকটি দল এই প্রস্তাবের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে। পরে কমিশন আবারও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে দুই দিন ধরে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করে।

বৈঠকে কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, সদস্য বদিউল আলম মজুমদার,দসহ কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত আছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page