কাজী মোঃ আবুল খায়ের, কুমিল্লা:
কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলায় গরু ভাগাভাগি ও হজ্জের টাকাপরিশোধ নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের হাতে পিতা খুন হওয়ার এক লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের সুবিলাচর গ্রামে এই হত্যার ঘটনা ঘটে।ঘাতক পুএের এই নৃশংসতায় এলাকায় গভীর শোক ও চান্ছল্যের সৃষ্টির হয়েছে। নিহত ব্যওির নাম সুরুজ মিঞা বয়স আনুমানিক ৬৫ বছর সুবিলাচর গ্রামের মৃত জাহেদ আলীর পুএ।এই ঘটনার ঘাতক অভিযুক্ত ফয়েজ মিয়া নিহতের বড় ছেলে।এলাকার সূএে জানা গেল ঘাতক ফয়েজ মিয়া এলাকা ছেড়ে পলাতক রয়েছে। এলাকার বাসিন্দা ও পুলিশ সূএে জানতে পারি তিনি জীবদ্দশাতেই তার তিন পুএকে পৈএিক জমিজমা ও যাবতীয় সম্পদ বুজিয়ে দিয়েছিলেন। তার শেষ ইচ্ছে ছিল পবিএ হজ্জ পালনে খরছ সমাপ্তি পর তার পালিত ৬টি গরু ৩ ছেলেদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হইবে।বাপের এই শর্ত লঙ্ঘন করে বড় ছেলে ফয়েজ মিয়া হজ্জের টাকা পরিশোধ না করে জোরপূবক ৬টি গরু বিক্রির উদ্যেগ নিলে বাবা সুরুজ মিঞা বাধা দানে একপর্যায়ে রাগের বশবর্তী হয়ে লাকরী দিয়ে পিতার মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাতে পিতা সুরজ মিয়া মাটিতেই লুটিয়ে পড়ে।বাবার এই অবস্থায় দেখে ঘাতক ছেলে ফয়েজ মিয়া দ্রত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।ঘটনাস্থল থেকে পরিবারের অন্য সদস্যরা ও এলাকাবাসী আশংকাজনক সুরুজ মিঞা কে মুরাদনগর উপজেলা ক্লিনিক নেওয়ার পথে হাসপাতালে পৌছানোর আগেই পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে মুরাদনগর থানা পুলিশ দ্রত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।এই বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মোঃ হাসান জামিলকান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ও কাজ চলছে।প্রাথমিক তদন্তে মাথায় আঘাতের আলামত পাওয়া গেছে অভিযুক্ত ফয়েজ মিয়া কে আটকের অভিযান একাধিক টীম মাঠে কাজ করছেন।এই ঘটনায় মামলার প্রকরিয়াধীন থানা কর্মকতা নিশ্চিত করেন।