এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলায় এক ঢিলে দুই পাখি মারা বিএনপি’র নেতা-কর্মী নামধারীরা আওয়ামী দোসরদের নিয়ে হাসৌল্লাসে রয়েছে বিশেষ উপটোকনে!
অথচ, মনে রাখার দরকার ছিলো-বিগত আওয়ামী দুঃশাসনামলে যে বা যাদেরকে বিএনপি’র পাশে ও পাওয়া যায়নি এবং যারা দুঃসময়ে বিএনপি’র সাধারণ নেতা কর্মীদের দিকে চোখ তুলে ও তাকানোর চেষ্টা করেনি (!) তাদেরকে কোনো না কোনো উপটোকন অথবা কোনো না কোনো ভাবে বেনিফিসিয়ারির মাধ্যমে দলে ভিড়াচ্ছেন এবং তাদের আপ্যায়নে যারা এখন তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আসার প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে হবে।
দল প্রিয় নয়, তবে- এমন কিছু নেতা-কর্মী নামধারী সুযোগ সন্ধানী ব্যাক্তি বিশেষ রয়েছে যারা ওই সব আওয়ামী দোসরদের আপ্যায়নে এবং বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন উপটোকন পেয়ে আনন্দ-মহানন্দে গা ভাসিয়ে দিয়ে দলকে বিতর্কিত করে চলছেন তাদের জন্য তারেক রহমান এখন দেশে অবস্থান করছে যে সেই কথাট ও মনে রাখতে হবে।
বলতে দ্বিধা নেই যে, ওই আপ্যায়ন নামক আনন্দের ঠেলায় দলের নেতা কর্মীর সাইনবোর্ড ব্যবহার করে যে বা যারা গা ভাসিয়ে তৃপ্তির তুলছেন তাদের উদ্দেশ্যে দল প্রিয় অনেকেই বলার দরকার মনে করে বলছেন যে-আপনার/ আপনাদের মতো বিএনপি মনারা বা দলের নেতা-কর্মীরা অতিতের সব কিছু ভুলে ও যেতে পারেন/ গেছেনও।
তবে, মনে রাখতে হবে- যে বা যাকে বিগত ১৭ বছর ও বিএনপি’র দুঃসময়ে পাশে পাওয়া যায়নি! অথবা যে বা যারা আগে আওয়ামী নেতাদের আশির্বাদ পুষ্ট হয়ে বিএনপি’র দুঃসময়ের সাধারণ নেতা কর্মীদের দিকে চোখ তুলে ও তাকায়নি!! তাদের সাথে আপনার/ আপনাদের এখনকার এমন অন্তরঙ্গতার বিষয়ে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। এবং মনে রাখতে হবে- বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে বর্তমানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া ‘তারেক রহমান’ কিন্তু এখন আর লন্ডনে নেই, রয়েছেন দেশের মাটিতেই।
এবং দেশের মাটিতে থেকেই তিনি দলের চেইন অব কমান্ড ধরে রেখে সব কিছু মনিটরিং করে চলছেন।
সুতরাং, সাবধান- অতিতের মতো আর আর যেনতেন আকারে কারো নেতাগিরি চলবে না।