মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ করিমগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলি জমি বিলীন, ভাঙনের মুখে গ্রাম হারানো মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা, কিশোরগঞ্জ পুলিশের সাফল্য চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর করে দেড় লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রাম শহরের ‘ফুসফুস’ খ্যাত সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের ‘নতুন উদ্যোগের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ট্রেন থেকে পড়ে কিশোর নিহত চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে প্রধান অতিথি বানিয়ে-সম্মাননা দিয়ে অতিতের সব কিছু বৈধ করে নিচ্ছে একটি মহল! গাজীপুরে দুই বাসের রেষারেষিতে সুপারভাইজারের মৃত্যু: মরদেহ সরালো মালিকপক্ষ! প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতার আশ্বাস তথ্য মন্ত্রীর প্রশংসনীয় উদ্যোগ

গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলামকে গুলি করে হত্যা

লিবিয়ার সাবেক নেতা কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি মৃত্যুর খবর তার রাজনৈতিক দলের প্রধান নিশ্চিত করেছেন।

লিবিয়ান নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুসারে, ৫৩ বছর বয়সী সাইফকে একসময় তার বাবার উত্তরাধিকারী হিসেবে মনে করা হতো।

তার আইনজীবী সংবাদসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, একটি চার সদস্যের কমান্ডো দল জিনতান শহরে তার বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে এই হামলার পিছনে কে বা কারা জড়িত তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এদিকে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফির বোন লিবিয়ান টেলিভিশনে বলেন, তিনি লিবিয়া-আলজেরিয়া সীমান্তের কাছে নিহত হয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফিকে তার বাবার পরে দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ভয়ঙ্কর ব্যক্তি হিসেবে দেখা হতো। তার বাবা মুয়াম্মার গাদ্দাফি ১৯৬৯ সাল থেকে ২০১১ সালে এক বিদ্রোহের সময় ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত লিবিয়া শাসন করেছিলেন।

১৯৭২ সালে জন্মগ্রহণকারী সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি ২০০০ সাল থেকে গাদ্দাফি শাসনের পতন পর্যন্ত পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে লিবিয়ার সম্পর্ক স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তার বাবার ক্ষমতাচ্যুতির পর, সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি জিনতান শহরের একটি প্রতিদ্বন্দ্বী মিলিশিয়া বাহিনীর হাতে প্রায় ছয় বছর ধরে কারাবন্দি ছিলেন।

২০১১ সালে বিরোধীদের বিক্ষোভ দমনে কঠোর ভূমিকার কারণে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের মুখোমুখি করতে চেয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। এমনকি দেশটির পশ্চিমে অবস্থিত ত্রিপোলি শহর, যার নিয়ন্ত্রণ জাতিসংঘ-সমর্থিত সরকারের হাতে, সেখানকার একটি আদালত ২০১৫ সালে তার অনুপস্থিতিতেই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। কিন্তু দুই বছর পর পূর্বাঞ্চলীয় শহর টোব্রুকের মিলিশিয়া তাকে সাধারণ ক্ষমা আইনের আওতায় মুক্তি দেয়।

২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণাও দিয়েছিলেন সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি। পরবর্তীতে ওই নির্বাচন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়।

রয়টার্সের এক রিপোর্ট বলছে, লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সে পড়া সাইফ আল-ইসলাম অনর্গল ইংরেজি বলেন এবং পশ্চিমা মহলে একসময় তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল। তবে ২০১১ সালের ঘটনাবলীর সময় বাবার পক্ষ নেওয়ার পর তার সেই ভাবমূর্তি অনেকটাই বদলে যায়। -বিবিসি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page