এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে বিএনপি নেতা দিদারুল আলম মিয়াজির নের্তৃত্বে মাদক নির্মুল অভিযান চলমান রয়েছে। এখন সড়কের দু’পাশে গড়ে তোলা ভ্রাম্যমাণ দোকান সরিয়ে সড়ক দখল মুক্ত করার দাবি সর্ব শ্রেণী ও পেশার মানুষের।
উল্লেখ্য, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হওয়া এমপি নুরুল আমিন এর নির্দেশনা মোতাবেক মীরসরাইয়ের সর্বত্র মাদক নির্মুল সহ সকল ধরনের অপরাধ মুলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে বিএনপি’র নেতা কর্মীরা সোচ্চার ভূমিকা রেখে চলেছেন। তার-ই ধারাবাহিকতায় মীরসরাই উপজেলার সবচেয়ে আলোচিত বাজার বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারে বিএনপি নেতা দিদারুল আলম মিয়াজির নের্তৃত্বে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে একের পর এক অপারেশন চালিয়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়ে নিতে সক্ষম হচ্ছেন তিনি।
সূত্র মতে-উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি’র দায়িত্ববান নেতাদের নের্তৃত্বে একের পর এক মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকের মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে। তা নিঃসন্দেহে ভালো কাজ এবং দলের আগামীর জন্য ভালো লক্ষণ। তবে, তা কয়দিন পর থেমে যাবে না তো আবার?
নিঃসন্দেহে মাদক একটি সামাজিক অবক্ষয় এবং মরণ ব্যাধি ও। তবে, তার চাইতে অধিক গুন ক্ষতি কারক হিসেবে চিহ্নিত বিভিন্ন বাজার গুলোর বিভিন্ন জায়গা দখলে নিয়ে ছুটিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে কতিপয় ব্যাক্তি বিশেষরা! অধিকাংশ বাজার গুলোর গাড়ি চলাচলের রাস্তা ও দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে তারা সোৎসাহে!! বিশেষ করে বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজার উল্লেখযোগ্য হিসেবে সর্বমহলের দৃষ্টিকটু ঠেকছে। কিন্তু, মাদকের বিরুদ্ধে যে ভাবে বিএনপি’র নেতা কর্মীরা একের পর এক অপারেশন চালিয়ে মাদক নির্মুলে ভুমিকা রেখে প্রশংসা কুড়িয়ে নেয়ার অবস্থা সৃষ্টি করে চলেছেন তাতে যদি সড়ক পথ দখল করে ছুটিয়ে ব্যবসা পরিচালনা কারীদের বিরুদ্ধে ও অবস্থান নিয়ে অপারেশন চালানোর প্রয়োজন রয়েছে বলে দলের সাধারণ নেতা কর্মী সহ অসংখ্য মানুষ তা মনে করছেন।
বলাবাহুল্য যে, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক ও সম্ভাব্য পৌরসভার মেয়র দিদারুল আলম মিয়াজি অত্যন্ত স্বচ্ছ মনোভাব নিয়ে রাজনীতি করার পাশাপাশি ওই রকম কর্ পরিচালনা করে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে চলেছেন।
আর সেই প্রশংসনীয় কর্মের ধারাবাহিকতায় তিনি যদি উদ্যোগ নিয়ে বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজার এলাকায় গাড়ি চলাচলের রাস্তা দখল করে উভয় পাশে যে সব ভ্রাম্যমাণ দোকান গড়ে তুলে ব্যাক্তি বিশেষরা ছুটিয়ে ব্যবসা করে চলাচল রত: বিভিন্ন গাড়ির প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জন চলাচলে ও বাধা এবং ভোগান্তির সৃষ্টি করে চলেছে তা নির্মুলে কার্যকর ভুমিকা রেখে আরো ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়ে নিতে পারেন বলে ও মনে করছেন অনেকেই।
সূত্র মতে- চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারে যত্রতত্র ভ্রাম্যমাণ দোকান ও অবৈধ হকারদের কারণে তীব্র যানজট, পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি এবং ফুটপাত দখলের মতো সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংলগ্ন হওয়ায় এই বিশৃঙ্খলা স্থানীয় জনজীবন ও ব্যবসার জন্য চরম ভোগান্তি তৈরি করছে, যাহা দ্রুত উচ্ছেদ ও ব্যবস্থাপনার দাবি রাখে।
# বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারের প্রধান সমস্যা সমূহের মধ্যে ফুটপাত দখল করে ছুটিয়ে ব্যবসা করা: ফুটপাত হকারদের দখলে থাকায় পথচারীরা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে হাঁটেন, যাহা দুর্ঘটনার প্রবল ঝুঁকি বাড়ায়।
মহাসড়কে যানজট: বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজার এলাকায় যত্রতত্র দোকান ও পার্কিংয়ের কারণে প্রধান সড়কে তীব্র যানজট ও সৃষ্টি হয়।
অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ: ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোর কারণে ময়লা-আবর্জনা বাজার এলাকার পরিবেশ দূষিত করে চলেছে অহরহ।
সম্ভাব্য সমাধানকল্প পৌর কর্তৃপক্ষ ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক ফুটপাত ও অবৈধ দোকান উচ্ছেদে করনে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা সময়ের দাবি।
প্রাসঙ্গিক ক্রমে বলাবাহুল্য যে, ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থান নির্ধারণ করে দেয়ার ও যৌক্তিকতা রয়েছে। যাতে করে মূল সড়কের ক্ষতি না হওয়া থেকে মুক্তি পেতে পারে।
এ ছাড়া- এখানে দায়িত্ব রত: ট্রাফিক পুলিশ ও বাজার কমিটির মাধ্যমে যানজট নিরসন এবং ফুটপাত মুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তা কম নয় বলে মনে করছেন অনেকেই।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনস্বার্থে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে এই যত্রতত্র দোকান বসানো বন্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন হলে প্রশাসনিক যন্ত্র কিছু টা আচল থাকায় ভোগান্তির মাত্রা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।
ওই সব বিষয়ে প্রশাসনিক উদ্যোগের অভাব থাকায় বিএনপি’র নেতা কর্মীরা বিভিন্ন ভাবে কার্যক্রম চালিয়ে জন ভোগান্তি নিরসনে কিছু টা আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে গেলে ও রাজনৈতিক ভাবে ওই সব কিছু সম্ভবের বাইরে। তা কেবলই প্রশাসনিক ব্যাপার। প্রশাসন যতোটুকু পারবে তা রাজনৈতিক দলীয় নেতা কর্মীদের পক্ষে তা সম্ভব না হলে ও বিএনপি’র নবনির্বাচিত এমপি নুরুল আমিন এর নির্দেশে বিএনপি নেতা দিদারুল আলম মিয়াজির নের্তৃত্বে অন্যান্য নেতা কর্মীরা অল্প সময়ের মধ্যে যে সব কর্ম পরিচালনা করেছেন তাহা এখন এখানকার মানুষের মুখে মুখে।