মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ করিমগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলি জমি বিলীন, ভাঙনের মুখে গ্রাম হারানো মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা, কিশোরগঞ্জ পুলিশের সাফল্য চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর করে দেড় লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রাম শহরের ‘ফুসফুস’ খ্যাত সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের ‘নতুন উদ্যোগের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ট্রেন থেকে পড়ে কিশোর নিহত চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে প্রধান অতিথি বানিয়ে-সম্মাননা দিয়ে অতিতের সব কিছু বৈধ করে নিচ্ছে একটি মহল! গাজীপুরে দুই বাসের রেষারেষিতে সুপারভাইজারের মৃত্যু: মরদেহ সরালো মালিকপক্ষ! প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতার আশ্বাস তথ্য মন্ত্রীর প্রশংসনীয় উদ্যোগ

অতি দ্রুত ঘনিয়ে আসছে স্থানীয় সরকারের আওতাধীন নির্বাচন, চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে প্রার্থী হওয়াদের তোড়জোড়

এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

সামনে অতি দ্রুত ঘনিয়ে আসছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। আর ওই নির্বাচনে প্রার্থী হতে সাবেক-বর্তমান এবং নবীন-প্রবীণ মিলে প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে অনেকেই তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন আগে ভাগে।
এই নির্বাচনে সাবেক এবং অনেক পুরানো বা চলতি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের নারী প্রার্থী তো অবশ্যই আপনার দরজায় যাবে ভোট চাইতে, তখন জিজ্ঞেস তাদের কে জিজ্ঞেস করতে হবে, এই এলাকার উন্নয়ন কাজে আপনার অবধান কি ছিলো বলেন?
সরকারের দেয়া অনুদান টাকার বিনিময়ে বিক্রি করছেন কিনা।
এলাকায় রাস্তাঘাট ও কালভার্ট শিক্ষা ব্যবস্থা ও চিকিৎসা সেবার জন্য আপনার ভূমিকা কি ছিলো এবং সরকারী দপ্তরে জনগণের জন্য কোনো কিছু আবেদন করছেন কিনা।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য সরকার থেকে আলাদা বাজেট আসে সেটা সংখ্যালঘুরা সঠিক ভাবে পেয়েছে কিনা ।
বিধবা ভাতা ”ত্রিশ কেজি চাউলের “ভিজিডি কার্ড, রেশন কার্ড,বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা দেয়ার নামে যে পাঁচ দশ হাজার টাকা নিয়েছে কিনা। সেটা সরকারি ভাবে অনুমতি আছে কিনা।
বিচার বা শালিসি করার নামে টাকা পয়সা খেয়ে বিচার করছে কিনা।
দ্রষ্টব্য – যদি এই ধান্দাবাজী দুর্নীতি না করে থাকে তাহলে তাকে এলাকার উন্নয়নের সুযোগ করে দিবেন।
আর-বাংলাদেশের তরুণ প্রবীণ মায়েরা বোনেরা এখনো সময় আছে প্রতিবাদ করতে শিখুন –
নয়তো এই সমাজ আরো খারাপ হতে পারে –
কারন দুর্নীতিবাজরা সব সময় খারাপ চিন্তা নিয়ে বসে আছে-সব কিছুর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন । এবং সেবক তাকেই বানান, যে আপনার আমার সুখে দুঃখে খোঁজ খবর নিবে ।
সেবক তাকেই বানান, যে গরুর ডাক্তারের মতো দৌড়ে ছুটে আসবে -আর কোনো ডায়গোনিস্টিক ডাক্তার মতো ব্যাক্তি- ব্যাক্তিনিকে যদি সেবক বানান মনে রাখবেন ভিজিট দিয়ে ও নিয়মিত তো দুরে থাক্ মাঝে মধ্যে ও তাদের কে পাওয়া দুরহ হয়ে উঠবে।
তাই সচেতনার পরিচয় দিয়ে সৎ আদর্শবান মানুষের জন্য দেশের জন্য কাজ করে এমন একটা জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচন করুন। আর যারা টাকা দিয়ে ভোট কিনে বা জাল ভোট দিয়ে নির্বাচিত হয় ওরা কখনো দেশের জন্য বা দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে না ।
কারন, তারা চিন্তা করবে- খরচ করে নির্বাচিত হয়েছি এখন ওই খরচের টাকা উঠানোর দরকার।
আর ওই খরচের টাকা উঠাতে গিয়ে আপনার আমার মাথা বিক্রি করে চুরি করে খাবে।
তাই সবাই সতর্ক থাকুন। টাকা নিবেন না এবং খরচ করাবেন না। তাতে যে কোনো সময় বড় গলায় কথা বলতে পারবেন। এবং জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসতে পারবেন । মিষ্টি কথা ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে এরা জনগণের সাথে সবসময় প্রতারণা করেছে অতীতে সেই কথা খেয়ালে রাখতে হবে সবাইকে। যেই কাজ তার আওতায় নেই সেই কাজের আশা দিয়ে ভোট নেয়ার কৌশল অবলম্বন করে থাকে ওই এক শ্রেণীর ক্ষমতা লোভী ব্যাক্তিরা।
প্রার্থীদের বিবেকের কাছে সব কিছু ছেড়ে দিয়ে জবাবদিহিতার আনার চেষ্টা রাখতে হবে। যে প্রাথীর বিবেক এবং মনুষ্যত্ব নেই তাকে কখনো ভোট দেয়ার চেষ্টা করা যাবে না।
এ ছাড়া- বর্তমানে যে বা যারা রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ভালো করে পরখ করে দেখতে হবে। তারা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব সহ নানাবিধ: অপরাধ এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত আছে বা ছিলো কি না তা ও খতিয়ে দেখতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে- অতীতের মতো আগামী নির্বাচন গুলো সেই রকম হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকে উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন নিয়ে প্রার্থী হওয়ার খায়েসধারী ব্যাক্তি বিশেষরা ইতিমধ্যে পূর্বেকার খোলস পাল্টিয়ে নানাবিধ: প্রলোভনীয় কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় বিভোর হয়ে পড়েছে!
তবে, সাধারণ ভোটাররা ও আগের মতো নেই, তারা সু’চিন্তিত ভাবে যোগ্য প্রার্থী বেচে নিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
বিগত ১৭ বছর হরণ করা ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া ভোটাররা অনেক সচেতনতার সহিত অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে ভাবে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন ঠিক সেই একই পন্থায় তারা তাদের বিগত ১৭ বছর হারানো ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া মহা মুল্যবান ভোট দিয়ে যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচন করতে পিছ পা হয়ে নিজেকে অসচেতন ব্যাক্তির পরিচয় দিবেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page