এম, এ কাশেম চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
নামখাওয়াস্তের দৈনিক প্রলয় পত্রিকার সাংবাদিক নামধারী আনিসুর রহমান নামের এক ব্যক্তি ও নির্বাচন কমিশন থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের কার্ড পেয়ে গেলেন!?
তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলায়। কাগজে-কলমে তিনি মুক্তাগাছায় পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পেলেও বাস্তবে দাবি করা হচ্ছে-তিনি সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, তিনি নাকি বিমানে করে সারাদেশের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করবেন। এতে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে-তার জন্য কি আলাদা কোনো বিমান বরাদ্দ আছে সরকারের তরফ থেকে ? নয় তো একজন ব্যক্তি কীভাবে একদিনে বা স্বল্প সময়ে সারাদেশের কেন্দ্র ঘুরে দেখবেন?
আরও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে তার অতীতের নানাবিধ: অসঙ্গতি পূর্ন কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত বিষয়ে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েকদিন আগেই তিনি ছাগল চুরির একটি মামলায় ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করে জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। জেল থেকে বের হওয়ার পর পর-ই তিনি আবারও সাংবাদিক পরিচয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের কার্ড সংগ্রহ করেছেন।
বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন মহলের প্রশ্ন-যেখানে পেশাদার ও মাঠ পর্যায়ের অনেক সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড পেতে হিমশিম খাচ্ছেন, সেখানে ফৌজদারি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তি কী ভাবে কার্ড পেয়ে গেলেন ‘আলাদিনের চেরাগ’ পাওয়ার মতো?
আর তার অতীত কর্ণ যাচাই না করেই কী ভাবে তাকে নির্বাচন কমিশন থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব স্বরূপ কার্ড দেয়া হলো?
এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর: প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সর্বোত্র।
বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা- সমালোচনা ক্রমেই তীব্র বৃদ্ধি পাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দ্রুত স্পষ্ট ব্যাখ্যা ও কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়া হলে, এই বিতর্ক আরও ঘনীভূত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।