এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসন থেকে বিএনপি’র নির্বাচিত বিএনপি’র নতুন এমপি নুরুল আমিন তো প্রকাশ্যেই বলে দিয়েছেন মীরসরাইতে কোনো চাঁদাবাজি, দখলবাজি , টেন্ডারবাজি, শালিশ বানিজ্য, মাদক বিক্রি এবং সন্ত্রাসগিরি কিছু ই চলতে দেয়া হবে না।
আর এমপি’র ওই বক্তব্যকে পুঁজি করে বিএনপি’র মধ্যে লুকিয়ে থাকা অতীতের আওয়ামী দোসররা এখন নতুন ভাবে নতুন সাজে সজ্জিত হয়ে ধান্দাবাজির নব কৌশল আবিষ্কার করে শুরু করে দিয়েছে পল্টিবাজি!। আর তাতে আড়ালে আবড়ালে থেকে কলকাড়ি নাড়ছেন বিএনপি’র নেতা কর্মী নামধারী কিছু দু’নম্বরী ধান্দাবাজরা। তারা ওই সব দোসরদের ছায়া দিয়ে নানাবিধ: অপকর্মের দিকে যাওয়ার শক্তি যোগাচ্ছে।
ফলে, এমপি নুরুল আমিন বললে কি হবে- যদি কী না দলের নেতা কর্মীরা নিজেরা ভালো হয়ে ওইসব অপরাধ মুলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয় বা তাদেরকে সহযোগিতা করা থেকে বিরত না থাকে।
প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মীরসরাইয়ের বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষরা বলাবলি করছেন-নিজেরা ভালো না হয়ে চললে অন্যান্যদের ভালো চলার জন্য বলা বা করা কোনো ফলদায়ক উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারবে না।
বিএনপি’র অনেক নেতা কর্মী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে গলা ফাটিয়ে লিখে চলেছেন- মীরসরাইয়ের কোথাও এমপি নুরুল আমিন এর ঘোষণা মোতাবেক কোনো ধরনের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, শালিশ বানিজ্য এবং মাদক বিক্রি করা চলবে না।
প্রাসঙ্গিক বিষয়ে বলাবাহুল্য যে, দুরের কথা বাদ দিয়ে নিজরা নিজেদের বাড়ির পাশের দিকে নজর দিতে হবে।মীরসরাই সদর থানায এবং জোরারাগঞ্জ থানায় গিয়ে খবর নিয়ে দেখে যারা ওই সব অপকর্মের সাথে জড়িত তাদের কে তাড়িয়ে থানা এলাকা পরিস্কার করে এর প্রমাণ দেখাতে হবে। শুধুমাত্র মুখে ফেনা তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে লিখে দায় সারলে হবে না। পারলে ওই সব দালাল, ধান্দাবাজ এবং শালিশ বানিজ্য কারীদের ধরে ছবি তুলে নাম ঠিকানা সহ আমাদের কাছে বিস্তারিত পাঠান যে কেউ।
আমরা প্রমাণ সাপেক্ষিক ওই সব অপকর্ম কারীদের মুখোশ খুলে জনসমক্ষে তুলে ধরার চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।