নিজস্ব প্রতিনিধি , চট্টগ্রাম :
উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইতে সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে কতিপয় ব্যাক্তিরা চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজি সহ নানাবিধ অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে! তারা ওই সব অপকর্ম চালাতে গিয়ে নিজেদেরকে বিএনপি মনা সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী সহ নানাবিধ পেশার লোকজনকে ব্লাকমেইলিং করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।
অথচ, খবর নিয়ে দেখলে দেখা যায়/যাচ্ছে এবং যাবে ও যে, ওই সব সাংবাদিক নামধারী চাঁদাবাজ- ধান্দাবাজরা বিএনপি মনা নয়। তারা খোলস পাল্টিয়ে নিজেদেরকে বিএনপি পরিচয় দিয়ে ওই রকম অপকর্ম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে নিচ্ছে।
ওরা যদি সত্যাসত্য বিএনপি মনা হতো তাহলে তারা বিগত ১৭ বছর কোথায় ছিলো? বিগত ১৭ বছরের কোনো একদিন কি তারা কেউ নিজেদেরকে সাংবাদিক হিসেবে দাবী করে রাস্তা ঘাটে কাউকে চেহারা দেখিয়ে ছিলো? বিএনপি’র কোনো নেতা কর্মী এখনকার বিএনপি মনা সাংবাদিক পরিচয় দানকারী ব্যাক্তিদের রাস্তা ঘাটে দেখেছিলো কি কোনো দিন? মীরসরাই-উত্তর চট্টগ্রামে সাংবাদিকতা পেশায় থাকলে বিএনপি’র একজন- ই ছিলেন। আর তিনি হলেন- বিএনপি’র একমাত্র মুখোপত্র দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকার মীরসরাই-উত্চর চট্টগ্রামে দায়িত্ব রত: নিজস্ব প্রতিনিধি সাংবাদিক এম, এ কাশেম। হামলা-যামলা, অত্যাচার-নির্যাতন, লুটপাট, অপহরণ ও নিত্য হুমকি ধামকির শিকার হওয়ার পর সাংবাদিকতা পেশায় এম, এ কাশেম ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন ও।
সাংবাদিক এম, এ কাশেম ব্যাতিরেকে মীরসরাই-উত্তর চট্টগ্রামে বিএনপি’র আর কোনো সাংবাদিক ছিলো কী না তা কোনো সাংবাদিকদের ও জানা নেই।
অথচ, বর্তমানে বিএনপি ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে বিএনপি পরিচয় দানকারী সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে গেছে মীরসরাই-উত্তর চট্টগ্রামে।
গুটি কতেক চাঁদাবাজ- ধান্দাবাজ এবং বিভিন্ন অনৈতিক ও অপরাধ মুলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ব্যাক্তি দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো হু হু করে বের হওয়া/প্রকাশ পাওয়া নামখাওয়াস্তের দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ভিডিও পরিচালিত ওই সব অনলাইন পত্রিকা ছাড়া কিছু আইটিভি কর্তৃপক্ষ থেকে টাকা দিয়ে আইডি কার্ড বানিয়ে এনে তা গলায় ঝুলিয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তাদের অবাধ বিচরণ লক্ষনীয় ঠেকছে সবার কাছে। এ ছাড়া আরো কতোগুলো বাটপার আছে-তারা নিজেদের পকেট থেকে টাকা দিয়ে মাইক্রো ফোন- বূম কিনে নিয়ে তাতে দেশের বিভিন্ন নামিদামি পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেল এর লোগো লাগিয় নিজেদেরকে টিভি চ্যানেল এর সাংবাদিক পরিচয় বিভিন্ন জনের মুখের সামনে মাইক্রো ফোন বুম ধরে সাক্ষাতকার নেয়ার নামে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে তা পকেটস্থ করছে/করে চলেছে। প্রকৃতপক্ষে তাদের নেয়া ওই সব সাক্ষাতকার কখনো টিভিতে দেখানো হয়না। কারণ, তারা ওই সব টিভি চ্যানেল এর কোনো প্রতিনিধি/সাংবাদিক নন্। অবশ্য, ওই বিষয়ে সাক্ষাতকার প্রদান করা রাজনৈতিক দলীয় নেতা-কর্মী সহ অজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাক্তিরা কখনো তাদের ওই প্রতারণা আন্দা ও করতে পারছেন না। যদিও বা কোনো একদিন আবার তাদের সাথে দেখা হয়ে যায় তখন জিজ্ঞেস করা হলে তারা ঝটপট বলে ফেলে আরে ভাই অতটা/ততোটার সংবাদে আপনার সাক্ষার দিয়েছে/দেখানো হয়েছে। আসলে তা একেবারেই ভূয়া/ ডাহা মিথ্যে কথা।
অবশ্য, ওই সব সাংবাদিক নামধারী বাটপাররা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে ওই সব পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেল এর লোগো সম্বৃদ্ধ একটা পেজ খুলে তাতে বিভিন্ন ঘটনার ভিডিও সংগ্রহ করে তা আপলোড দেয় এবং যাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে সাক্ষাতকার নেয়া হয়েছিলো সেই সাক্ষরতার’র ভিডিও ওই খানে/ওই পেজ এ আপলোড করে তা তাদের কে দেখিয়ে দায়মুক্তি পায়। এই ভাবেই চলছে তাদের প্রতারণা মুলক চাঁদাবাজি ও ধান্দাবাজির সাংবাদিকতার নামে ব্যবসা।
এখন সমগ্র মীরসরাই ব্যাপী নবনির্বাচিত এমপি নুরুল আমিন এর জিরো টলারেন্স ঘোষণার পর থেকে যে হারে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখল বাজি, মাদক সহ নানাব: অপরাধ মুলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে দলীয় নেতা কর্মীরা যে ভাবে সোচ্চার ভূমিকা রেখে চলেছে ঠিক সেই ভাবে মীরসরাই উপজেলা থেকে সাংবাদিকতার নামে দালাল, চাঁদাবাজ, ধান্দাবাজ এবং প্রতারকদের বিতাড়িত করতে তাদের বিরুদ্ধে ও এমপি নুরুল আমিন এর জিরো টলারেন্স ঘোষণা করার দরকার রয়েছে বলে একাধিক সাংবাদিকরা মনে করছেন। এবং দলের নেতা কর্মীরা যে হারে বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে এ্যাকশন চালাচ্ছেন এবং তাদের পাকড়াও করে প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করে চলছেন ঠিক সেই ভাবেই সাংবাদিক নামধারী ওই সব চাঁদাবাজ, ধান্দাবাজ, প্রতারকদের বিরুদ্ধে ও এক- ই ভাবে এ্যাকশন চালাতে হবে।
প্রয়োজন মাফিক দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকার মীরসরাই-উত্তর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি সাংবাদিক এম, এ কাশেম সহ তার সাথে মীরসরাইতে থাকা স্বচ্ছ সাংবাদিকতায় নিয়োজিত থাকা দু/চারজন সাংবাদিককে দায়িত্ব দিয়ে দেখতে পারেন নবনির্বাচিত এমপি নুরুল আমিন।