মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ করিমগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলি জমি বিলীন, ভাঙনের মুখে গ্রাম হারানো মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা, কিশোরগঞ্জ পুলিশের সাফল্য চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর করে দেড় লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রাম শহরের ‘ফুসফুস’ খ্যাত সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের ‘নতুন উদ্যোগের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ট্রেন থেকে পড়ে কিশোর নিহত চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে প্রধান অতিথি বানিয়ে-সম্মাননা দিয়ে অতিতের সব কিছু বৈধ করে নিচ্ছে একটি মহল! গাজীপুরে দুই বাসের রেষারেষিতে সুপারভাইজারের মৃত্যু: মরদেহ সরালো মালিকপক্ষ!

বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুর হামলা,গুলিবিদ্ধ এক মাঝিসহ আহত ১১, তিনটি ফিশিং ট্রলার লুট

এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

মাছ ধরতে গিয়ে চট্টগ্রামের জলসীমার বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুর হামলার শিকার হয়েছেন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পূর্ব গহিরা এলাকার জেলেরা। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজার জেলার গভীর সমুদ্রের মাঝামাঝি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় নৌ পুলিশ।
এ ঘটনায় এক মাঝি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং অন্তত: ১১জন মাঝি-মাল্লা আহত হয়েছেন। জলদস্যুরা তিনটি ফিশিং ট্রলার থেকে জ্বালানি, মাছ ধরার সরঞ্জাম সহ প্রয়োজনীয় মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
গুলিবিদ্ধ মাঝিরা আনোয়ারা উপজেলার ৩নং রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড গহিরা এলাকার মৃত ছিদ্দিক আহমেদের পুত্র মনু মাঝি (৫৮)।
তিনি পূর্ব গহিরা তেলিপাড়ার মোঃ জসিম কোম্পানির মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলারে কর্মরত: ছিলেন। হামলার পর গুরুতর: আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যান্য আহতরা হলেন, হেফাজ মাঝি, আবুল হাসেম, জিয়াউল হক, আবুল কাশেম, আবদুর রহমান, আরফাত, জাবেদ , ফরিদ, জব্বার ও মিজান।
ভুক্তভোগী মাঝি মাল্লাদের ভাষ্য অনুযায়ী, একই সময় পূর্ব গহিরা এলাকার মোঃ হেফাজ কোম্পানি ও মোঃ কাশেম কোম্পানির মালিকানাধীন আরও দুটি ফিশিং ট্রলার জলদস্যুর কবলে পড়ে। এ সময় ট্রলারে থাকা মাঝি-মাল্লাদের মারধর সহ বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করা হয়। পরে ট্রলারগুলোর জ্বালানি, জাল ও মাছ ধরার অন্যান্য সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে যায় জলদস্যুরা।
হামলার শিকার একটি ট্রলার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে উপকূলে ফিরে আসে। অন্য দু’টি ট্রলারও বুধবার বিকেলে আনোয়ারা উপকূলে ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে।
মাঝি-মাল্লাদের দাবি, জলদস্যুরা নিজেদের বাঁশখালী, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী এলাকার বাসিন্দা বলে পরিচয় দিয়েছে।
তবে এই তথ্য সঠিক ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে মাছ শিকারে গিয়ে তিনটি ট্রলার জলদস্যুর কবলে পড়ে। এতে মনি নামের এক মাঝি গুলিবিদ্ধ হন এবং আরও ৯-১০ জনকে মারধর করা হয়। জলদস্যুরা ট্রলার গুলোর জ্বালানি ও সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে গেছে।’
এ বিষয়ে বার-আউলিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মোঃ কামাল হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি ঘটেছে কক্সবাজার জেলাধীন গভীর সমুদ্র এলাকায়। আমরা বিকেলে গহিরা এলাকায় গিয়ে ঘটনার উপাত্ত সংগ্রহ করেছি এবং আহত জেলে ও একজন মাঝির সাথে কথা বলেছি।’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়ামুল হক বলেন, ‘একজন মাঝি গুলিবিদ্ধ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন, এমন তথ্য আমরা পেয়েছি। সাগরে আমাদের টহল কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page