মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ করিমগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলি জমি বিলীন, ভাঙনের মুখে গ্রাম হারানো মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা, কিশোরগঞ্জ পুলিশের সাফল্য চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর করে দেড় লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রাম শহরের ‘ফুসফুস’ খ্যাত সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের ‘নতুন উদ্যোগের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ট্রেন থেকে পড়ে কিশোর নিহত চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে প্রধান অতিথি বানিয়ে-সম্মাননা দিয়ে অতিতের সব কিছু বৈধ করে নিচ্ছে একটি মহল! গাজীপুরে দুই বাসের রেষারেষিতে সুপারভাইজারের মৃত্যু: মরদেহ সরালো মালিকপক্ষ! প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতার আশ্বাস তথ্য মন্ত্রীর প্রশংসনীয় উদ্যোগ

কোন বয়স পর্যন্ত শিশুর দুপুরের ঘুম জরুরি?

দুপুরের ঘুম শিশুদের মানসিক এবং শারীরিক বিকাশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে তাদের ঘুমের প্রয়োজন। একটা বয়সে এসে দেখা যায় তারা দুপুরে একেবারেই ঘুমাতে চাচ্ছে না। তখন বাবা-মায়েরা ব্যাপারটি নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়তে থাকেন। কোন বয়সের শিশুর প্রতিদিন কয় ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন সেটা জেনে নিন।

শিশুদের প্রাথমিক বিকাশে ঘুম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঘুম স্মৃতিশক্তি সুসংহত করতে, শেখার ক্ষমতা বাড়াতে এবং আবেগের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
১ থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুর প্রতিদিন ১২-১৪ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়। প্রি-স্কুলের বাচ্চাদের (৩-৫ বছর বয়সী) সাধারণত ১০-১৩ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন হয় এবং স্কুলে যাওয়া বাচ্চাদের (৬+ বছর বয়সী) রাতের ঘুমের জন্য ৯-১২ ঘন্টা প্রয়োজন।
তবে অনেক শিশু দুপুরে ঘুমায় না, কিন্তু বিকেল হতে না হতেই ক্লান্ত বোধ করতে শুরু করে। মাত্র দুপুরে ঘুমের অভ্যাস বাদ দেওয়া শিশুদের কীভাবে চাঙা রাখবেন জেনে নিন-
১। দিনের ঘুম ছাড়া শিশুদের সক্রিয় রাখতে পর্যাপ্ত রাতের ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি। রাতে ঘুমের সময় নির্দিষ্ট করে ফেলুন। ঘুমানোর সময় বই পড়ুন এবং ঘুমানোর আগে কোনও ইলেকট্রনিক ডিভাইস দেবেন না তাদের।

২। শিশু দুপুরে না ঘুমালেও তাদের বিশ্রাম নিতে উৎসাহিত করুন। অন্তত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিটের জন্য তাদের শুয়ে বই পড়তে বা গান শুনতে বলুন। ছবি আঁকতে আগ্রহী হলে এ সময় ছবি আঁকার ব্যাপারে জোর দিন। এগুলো ঘুম ছাড়াই মন ও শরীর শিথিল করতে সাহায্য করে।

৩। ডিহাইড্রেশন এবং ক্ষুধার কারণেও শিশুর ক্লান্তি বাড়ে এবং শিশুরা খিটখিটে হয়ে ওঠে। তাদের শক্তি বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত পানি খাওয়া ব্যাপারে নজর দিন। ফল, বাদাম, দই, বা গোটা শস্য রাখুন খাদ্য তালিকায়।

৪। শক্তির মাত্রা বাড়ানোর জন্য বাইরে খেলাধুলা, পার্কে হাঁটা বা স্ট্রেচিং ব্যায়াম করতে উৎসাহিত করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page