সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ করিমগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলি জমি বিলীন, ভাঙনের মুখে গ্রাম হারানো মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা, কিশোরগঞ্জ পুলিশের সাফল্য চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর করে দেড় লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রাম শহরের ‘ফুসফুস’ খ্যাত সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের ‘নতুন উদ্যোগের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ট্রেন থেকে পড়ে কিশোর নিহত চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে প্রধান অতিথি বানিয়ে-সম্মাননা দিয়ে অতিতের সব কিছু বৈধ করে নিচ্ছে একটি মহল! গাজীপুরে দুই বাসের রেষারেষিতে সুপারভাইজারের মৃত্যু: মরদেহ সরালো মালিকপক্ষ! প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতার আশ্বাস তথ্য মন্ত্রীর প্রশংসনীয় উদ্যোগ রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কেওয়া পূর্বখণ্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আপনার সন্তান কি মুখে মুখে তর্ক করছে? যা করবেন

শিশুরা অনেক সময় বড়দের মুখে মুখে তর্ক করে। কথায় কথায় খুব জেদ দেখায়। আবার অনেক সময় তো কথায় শুনতে চায় না। শিশুদের এমন আচরণ অভিভাবকদের জন্য অনেক সময় অসহনীয় হয়ে পড়ে। রাগের মাথায় তারাও শিশুদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে শুরু করেন, সেখান থেকে সমস্যা আরও বাড়ে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেই বাবা-মাকে ধৈর্য্য ধরতে হবে। শিশুর মানসিক অবস্থা এবং তার আচরণের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। সন্তানকে আরও ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। শুনে কঠিন মনে হলেও এটা খুব একটা কঠিন কাজ নয়।
তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক আপনার যে আচরণে শিশুদের ব্যবহারে পরিবর্তন আনবে।

মানসিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করা : শিশুদের মানসিক অবস্থা বুঝতে হবে। কেন সে এমন আচরণ করছে তা খেয়াল করতে হবে। সন্তান যদি বাবা-মায়ের কথা না শোনে বা তাদের মুখে মুখে কথা বলে তখন তাদের ওপর রেগে গিয়ে চিৎকার করা বা তাদের দোষারোপ না করে, খোলামেলা ভাবে কথা বলতে হবে। এ পরিস্থিতে বাবা-মাকে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। সন্তানের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করতে হবে। কখনও কখনও কিছুটা সময়ের জন্য তাদের একা থাকতে দিতে হবে। তাদের সঙ্গে যতটা সম্ভব খোলামেলা থাকতে হবে। অযথা তাদের ওপর দোষারোপ করা যাবে না।

কথায় মনোযোগ দেওয়া : বিচার বা অভিযোগ না করেই অভিভাবকদের উচিত শিশুদের থেকে তাদের সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা। সে তার সমস্যা নিয়ে খোলামেলা কথা বললে সে শুধু তার বাবা-মায়ের কাছাকাছি আসার পাশাপাশি তার মানসিক চাপও কমবে। বাবা-মাকেও বুঝতে হবে যে শিশুদেরও অনেক সময় সমর্থনের প্রয়োজন হয়।

ধৈর্য ধরা ও সহানুভূতি প্রদর্শন : শিশুরা যখন খারাপ আচরণ করে, তখন বাবা-মায়ের উচিত ধৈর্য ধরা এবং সহানুভূতি দেখানো। শিশুদের তাদের ভুল বোঝাতে হবে, তাৎক্ষণিকভাবে তাদেরকে কোনো শাস্তি না দিয়ে বরং তাদের সঠিক পথ দেখাতে হবে। এর মানে এই নয় যে বাবা-মায়েরা সন্তানের ভুলগুলোকে উপেক্ষা করবেন। এর অর্থ হলো শিশুদের সঠিক দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইতিবাচক এবং সংবেদনশীল পদ্ধতি অবলম্বন করা।

সম্মান দেওয়া : শিশুরা যদি ভালো আচরণ করে তাহলে বাবা-মায়ের উচিত তাদের সম্মান দেওয়া। কারণ আত্মসম্মান সবারই থাকে। এতে করে তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page