মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ করিমগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলি জমি বিলীন, ভাঙনের মুখে গ্রাম হারানো মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা, কিশোরগঞ্জ পুলিশের সাফল্য চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর করে দেড় লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রাম শহরের ‘ফুসফুস’ খ্যাত সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের ‘নতুন উদ্যোগের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ট্রেন থেকে পড়ে কিশোর নিহত চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে প্রধান অতিথি বানিয়ে-সম্মাননা দিয়ে অতিতের সব কিছু বৈধ করে নিচ্ছে একটি মহল! গাজীপুরে দুই বাসের রেষারেষিতে সুপারভাইজারের মৃত্যু: মরদেহ সরালো মালিকপক্ষ! প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতার আশ্বাস তথ্য মন্ত্রীর প্রশংসনীয় উদ্যোগ

বাবরের ‘টুক-টুক’ ইনিংসে রেকর্ড, সবার ওপরে সাকিবের নাম

স্কোরবোর্ডে ৩২১ রানের বিশাল টার্গেট। আইসিসির নিয়মে আটকে ওপেনিং করতে পারেননি ফখর জামান। নামতে হয়েছে সৌদ শাকিলকে। প্রথমবার ইনিংস ওপেন করার অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না সৌদের জন্য। এমন অবস্থায় দায়িত্বটা নিতেই হতো অভিজ্ঞ বাবর আজমকে।
কিন্তু দায়িত্ব নিতে গিয়েই কি না বাবর খেললেন পুরোদস্তুর টেস্ট মেজাজের ইনিংস। ‘টুক-টুক’ করে ১৩৬ মিনিট ক্রিজে কাটিয়েছেন। খেললেন ৯০ বলে ৬৪ রানের ইনিংস। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে ফিফটি হাঁকাতে খেললেন ৮১ বল। নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি ৫ম ধীরগতির ইনিংস। এমন এক ইনিংসের মাশুল দিয়েছে তার দলও। আস্কিং রানরেটের চাপ বেড়েছিল প্রতিনিয়ত।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসেও পাকিস্তানের হয়ে ২য় ধীরগতির ফিফটি এটি। ২০১৩ তে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাকিস্তানের নাসির জামশেদ ৯০ বলে ফিফটি হাকিয়েছিলেন। তারপরেই আছে বাবর আজমের এই ইনিংস। ২০০২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭৯ বলে ফিফটি হাঁকানো সাঈদ আনোয়ারকে এদিন টপকেছেন বাবর।
তবে এমন ধীরগতির ইনিংসে বাবর আরও এক জায়গায় হয়েছেন ২য়। দলের টার্গেট যখন ৩০০ এর বেশি তখন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচে সবচেয়ে ধীরগতির ফিফটিতে বাবরের স্থান দুইয়ে। এই তালিকায় সবার ওপরে সাকিব আল হাসানের নাম। ২০০৬ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩০৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করার সময় সাকিবের স্ট্রাইকরেট ছিল ৬২.৬১।
মোহালিতে কোয়ালিফাই পর্বের সেই ম্যাচে সাকিব আল হাসান ১০৭ বলে করেছিলেন ৬৭ রান। বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছিল ৩৭ রানে। আর গতকালের ইনিংসে বাবরের স্ট্রাইকরেট ছিল ৭১.১১। তিনে থাকা কেনিয়ার স্টিভ টিকোলো দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফিফটি করতে গিয়েও খেলেছিলেন ৭১ স্ট্রাইকরেটে।

বলাই বাহুল্য, তিন ক্ষেত্রেই এমন ধীরগতির ইনিংস খেলেও দলকে জয়ের বন্দরে নিতে পারেননি বাবর, সাকিব কিংবা টিকোলোরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page