বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ করিমগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলি জমি বিলীন, ভাঙনের মুখে গ্রাম হারানো মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা, কিশোরগঞ্জ পুলিশের সাফল্য চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর করে দেড় লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রাম শহরের ‘ফুসফুস’ খ্যাত সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের ‘নতুন উদ্যোগের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ট্রেন থেকে পড়ে কিশোর নিহত চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে প্রধান অতিথি বানিয়ে-সম্মাননা দিয়ে অতিতের সব কিছু বৈধ করে নিচ্ছে একটি মহল! গাজীপুরে দুই বাসের রেষারেষিতে সুপারভাইজারের মৃত্যু: মরদেহ সরালো মালিকপক্ষ!

৯ মাসে ৮০ হাজার ভিসা বাতিল করলো ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর গত ৯ মাসে প্রায় ৮০ হাজার নন–ইমিগ্র্যান্টের ভিসা বাতিল করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি ‘যুক্তরাষ্ট্রকে অবৈধ অভিবাসীমুক্ত’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং ক্ষমতায় এসে সে লক্ষ্যে নির্বাহী আদেশেও সই করেন।

যে ৮০ হাজার মানুষের ভিসা বাতিল করা হয়েছে, তাদের সবাই নথিবিহীন অভিবাসী নন; অনেকে বৈধ খণ্ডকালীন ভিসাধারীও ছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাতিল হওয়া ভিসাধারীদের মধ্যে ১৬ হাজার জনের ভিসা বাতিল হয়েছে ‘মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর’ কারণে, ১২ হাজার জনের ‘হামলা বা সহিংসতার’ অভিযোগে, আর ৮ হাজার জনের ভিসা ‘চুরির’ অভিযোগে বাতিল করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ‘যাদের ভিসা বাতিল হয়েছে, তাদের অর্ধেকই এই তিন ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত।’ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র আরও জানান যে, গত আগস্টে ৬ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। ভিসার মেয়াদ পার হয়ে যাওয়ার পরও থাকার পাশাপাশি আইনভঙ্গ ও ‘সন্ত্রাসবাদে সমর্থন’ দেওয়ার অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে।

নির্বাহী আদেশের পর প্রথমে ওয়াশিংটনে এবং পরবর্তীতে দেশজুড়ে অভিযান শুরু হয়, যেখানে পুলিশ, কাস্টমস পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা অংশ নিয়ে হাজার হাজার নথিবিহীন অভিবাসীকে আটক করে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page