মাহমুদুল হাসান জয় ৭৭তম ওভারে সিঙ্গেল নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা রান ছুঁলেন। আগের ১৩৭ রানকে পেছনে ফেললেন তিনি। তারপর দুই ওভার বিরতি দিয়ে মারমুখী এই ব্যাটার। কুর্টিস ক্যাম্ফারকে দুটি ছয় ও একটি চার মেরে ১৬ রান তুলে নিলেন। প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দেড়শ পার করেন তিনি।
জয়ের সঙ্গে মুমিনুল হকও দারুণ খেলছেন। আগের ছয় ইনিংসে তার সর্বোচ্চ রান ছিল ৪৭। এর মাঝে ত্রিশের ঘর পার করেছিলেন আর মাত্র একবার। অফফর্মে থাকার পর মুমিনুলের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে একটা ভালো ইনিংসের প্রয়োজন ছিল। আজ সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ছক্কা মেরে ৭৫ বলে ২৩তম ফিফটি করলেন তিনি। মাহমুদুল হাসান জয়ের সঙ্গে তার শতক ছাড়ানো জুটিতে বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডকে পেছনে ফেলে।
এর আগে জয় আয়ারল্যান্ড সিরিজ দিয়ে জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনটা সেঞ্চুরিতে রাঙিয়েছেন। যা ঘরের মাঠে তার প্রথম ম্যাজিক ফিগার। এর আগে ২০২২ সালের মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে টেস্টে নিজের চতুর্থ ইনিংসে প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন জয়।
১৯০ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় শতক তুলে নিলেন ২৪ বছর বয়সী এই ডানহাতি ওপেনার। ওপেনিংয়ে তার অপর সঙ্গী সাদমান ইসলাম সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে ফিরলেও, জয় সেই পথে হাঁটেননি। সেঞ্চুরির পথে তিনি ৯টি চার ও একটি ছক্কার বাউন্ডারি খেলেছেন। ক্রিজে তার সঙ্গে এই মুহূর্তে অপরাজিত আছেন মুমিনুল হক (২৫*)। এখন পর্যন্ত ১ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ রান। আইরিশরা এখনও ৭৩ রানে এগিয়ে।
প্রথম সেঞ্চুরির পর মাহমুদুল হাসান জয় ৩০ ইনিংসে খেলে কেবল তিনটি হাফসেঞ্চুরি পেয়েছিলেন। ব্যাট হাতে ধারাবাহিক হতে না পারায় বাদ পড়েন জাতীয় দলের স্কোয়াড থেকেও। সাম্প্রতিক সময়ে অবশ্য ঘরোয়া ক্রিকেটে ফর্ম দেখিয়েছেন জয়। সেই ফর্ম জাতীয় দলে টেনে এনে পেলেন টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তার সঙ্গে সাদমানের উদ্বোধনী জুটিতে বাংলাদেশ তুলেছিল ১৬৮ রান। যা গত ১০ বছরে ওপেনিং জুটিতে সর্বোচ্চ।