এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা আছে হৈ হুল্লোড়ে! এবং ‘ধানের শীষ’ এর প্রচার-প্রচারণা নিয়ে। অথচ, তারা একটি বার ও বিগত সময়ের নির্বাচন গুলো সম্পর্কে মাথায় ও রাখছে না যে বিগত সময়ের নির্বাচন গুলোতে কে, কি ভাবে কি করেছিলো! বিশেষ করে সাংবাদিকতার নাম নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা তাদের দলীয় কিছু ক্যাডারকে যেনতেন আকারের কোনো না কোনো পত্রিকার আইডি কার্ড বানিয়ে দিয়ে জেলা/উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের কার্ড বানিয়ে দিয়ে মাইক্রো রিজার্ভ করিয়ে দিয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের নামে কেন্দ্রে কেন্দ্রে মহড়া দেয়ার সূযোগ করে দিয়েছিলো। ওই সময়কার ওই সব কার্ড পাওয়াদের কেউ কেউ ৫ আগষ্টের ফর পালিয়ে গেলে ও অধিকাংশরাই বহাল তবিয়তে থেকে আগামী নির্বাচনের দিকে কু’নজর রেখে চলেছে।
আর তাদের দৌরাত্ম্যের কারণে বিএনপি সমর্থিত অনেক সাংবাদিক আবেদন করে ও নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য কার্ড পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছিলেন। তার মধ্যে সর্বাল্লেখযোগ্য দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকায় মীরসরাই-উত্তর চট্টগ্রামে নিজস্ব প্রতিনিধির দায়িত্ব রত: সাংবাদিক এম, এ কাশেম।
সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্দেশনা মোতাবেক যথাযথ নিয়মানুযায়ী প্রয়োজনীয় সব কিছু সহ লিখিত আবেদন জানানোর পরে ও টালবাহানা করে দিনকাল পত্রিকার প্রতিনিধি এম, এ কাশেমকে কার্ড দেয়া হয়নি!
যদিও বা বলা হচ্ছে- পূর্বেকার সকল নিয়ম কানুন বাদ দিয়ে নতুন ভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য সাংবাদিকদের কার্ড দেয়া হবে।
তবে, বিগত সময়ে যে বা যারা কার্ড সংগ্রহ করে সাংবাদিক তার নামে দলীয় ক্যাডাররা নির্বাচনী কেন্দ্রে কেন্দ্রে মহড়া দেয়ার সুযোগ পেয়েছিলো তারা আগামী নির্বাচনে সেই কার্ড শো করে নতুন ভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য কার্ড নিয়ে নিতে পারে। প্রক্ষান্তরে বিএনপি’র একমাত্র মুখোপত্র দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকার প্রতিনিধিকে কার্ড পাওয়া থেকে বঞ্চিত করা হবে না তো?