নজরুল ইসলাম বিপ্লব, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি:
১৭ লালমনিরহাট জেলা (২) কালীগন্জ, আদিতমারী উপজেলার বিএনপির ধানের শীষের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল বলেছেন, এই বিজয় আমার নয়, এই বিজয় কালীগঞ্জ ও আদিতমারী বাসীর প্রতিটি স্পন্দনের।
আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই লালমনিরহাট-২ আসনের প্রতিটি মানুষকে। সর্বোপরি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞ আমাদের অভিভাবক বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান -এর প্রতি, যার আস্থা ও বিশ্বাস ছিলো দ্বিতীয় বারের মতো দলীয় মনোনয়ন দিয়ে আমাকে নির্বাচিত হতে সুযোগদানের জন্য। যারা আমায় ভালোবেসে ভোট দিয়েছেন, যারা দেননি কিংবা যারা ভিন্নমত পোষণ করেছেন- আপনারা সবাই এই মাটির সন্তান, আর আমি আপনাদের সবার মিলিত কণ্ঠস্বর হতে চাই।
এই বিজয় উৎসর্গ করছি আমার সেইসব নিঃস্বার্থ সহযোদ্ধাদের, যাদের ত্যাগে আজ আমি এখানে- সেই তরুণ ভাইটি যে হাড়কাঁপানো শীতের রাতে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে আমার হয়ে কথা বলেছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাছের মগডালে আমার পোস্টারটি ঝুলিয়েছিল।
সেই ভাই ও বোনটি যে নিভৃতে বসে আমার কথাগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবার কাছে পৌঁছে দিয়েছিল। সেই ভাইটি যে চায়ের দোকানের তর্কে অটল থেকে আমার হয়ে লড়েছে। সেই পরম শ্রদ্ধেয় কাকা যিনি তপ্ত দুপুরে মাঠে কাজ করতে করতে তার ভাই-ভাতিজাদের ডেকে পরম মমতায় বলেছিলেন- “রোকন উদ্দিন বাবুল- তো আমাদেরই মতো সাধারণ মানুষ, কাছের মানুষ। তিনি আরও বলেন আপনাদের সেই ভরসাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। মসজিদের জায়নামাজে বসে আমার জন্য দোয়া করা সেই মুরুব্বি,মা বোনেরা সেই কাকা,কাকিমা যিনি তার প্রার্থনার পবিত্র ক্ষণে আমার জন্য আশীর্বাদ করেন।
আপনারা সবাই আমার এই পথচলার প্রাণভ্রমরা। আপনাদের এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আমাকে ঋণী করে রাখল।
আমি নির্বাচনের শুরুতেই বলেছিলাম— “রাজনীতি মানে দায়িত্ব নিয়ে মানুষের সেবা করা, জনগণের পাশে থাকা। আমি আজ সেই শপথ আবারও করছি। আমি আপনাদের ওপর শাসন করতে আসিনি, এসেছি আপনাদের সেবক হয়ে আপনাদের পাশে দাঁড়াতে।
আপনাদের দেওয়া এই আমানতের মর্যাদা আমি আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও রক্ষা করব, ইনশাআল্লাহ্। আদিতমারী ও কালীগঞ্জ হবে শান্তি, উন্নয়ন আর সম্প্রীতির জনপদ।
সবাইকে অন্তরের অন্তস্তল থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। পরিশেষে সকলের সুস্থতা সার্বিকভাবে কামনা করেন।