এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে নানাবিধ: অবৈধ ও অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নবনির্বাচিত এমপি নুরুল আমিন এর জিরো টলারেন্স ঘোষণা দলীয় নেতা-কর্মীদের কর্ণে প্রবেশ করছে কি?
বিভিন্ন জনের মতামত- নির্বাচনে ভোটের জন্য এতোদিন বলা হয়নি এখন বলতে হবে এবং দলের স্বার্থে বলার দরকার।
এমপি নুরুল আমিন যদি স্টিক থাকে তাহল সত্যাসত্য মীরসরাই মাদক মুক্ত সহ সকল ধরনের অপরাধী কর্মককান্ডের সাথে জড়িতরা পার পাবে না। কিন্তু, পুঠির দিকে খেয়াল না দিয়ে বোয়াল এর দিকে খেয়াল দিতে হবে।
দুই/একজন ব্যাতীত এমপি নুরুল আমিন এর আশেপাশের চেয়ারে বসার সুযোগ যারা পায় এবং যারা আশেপাশে থাকার সুযোগ পায় তারা কি ফেরেস্তা? তাদের আগের চলাফেরা এবং খরচ করা সহ সব কিছু খতিয়ে দেখলে বুজা যাবে তারা এখন এমন ভাবে চলছে কি ভাবে। এতো টাকা তারা পেলো কোথায় এবং কি ভাবে? আগে তাদের দিকে খেয়াল দিতে হবে।
নয়তো নুরুল আমিন এমপি যতোই গলা ফাটিয়ে বলে চেষ্টা করুক না কেনো কোনো অবস্থাতেই এই উত্তর চট্টগ্রামের জনপদ মীরসরাই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভা এলাকা কখনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখল বাজি, মাদক বিকিকিনি সহ অন্যান্য অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ড কোনো অবস্থাতেই বন্ধ করা যাবে না বলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাক্তিরা তাদের মতামত ব্যাক্ত করতে গিয়ে বলেছেন এমপি নুরুল আমিন যতোই চেষ্টা করুন না কেনো যদি কী না দলের নেতা কর্মী নামধারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে তাদেরকে দমীয়ে রাখতে না পারেন তাহলে উনার শতো চেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। আগে কঠোর হয়ে দলের মধ্যে থাকা বিভিন্ন অবৈধ ও অপরাধ মুলক কর্মকআন্ডের সাথে জড়িত নেতা-করৃমী/ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে না পারলে তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সু’নামধর্মী দু’চারটা কর্ম পরিচালনা করে প্রশংসা অর্জন করতে চলেছেন তা ধূলোয় মিশিয়ে যাবে।