মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ করিমগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলি জমি বিলীন, ভাঙনের মুখে গ্রাম হারানো মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা, কিশোরগঞ্জ পুলিশের সাফল্য চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর করে দেড় লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রাম শহরের ‘ফুসফুস’ খ্যাত সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের ‘নতুন উদ্যোগের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ট্রেন থেকে পড়ে কিশোর নিহত চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে প্রধান অতিথি বানিয়ে-সম্মাননা দিয়ে অতিতের সব কিছু বৈধ করে নিচ্ছে একটি মহল! গাজীপুরে দুই বাসের রেষারেষিতে সুপারভাইজারের মৃত্যু: মরদেহ সরালো মালিকপক্ষ!

রাজধানীর কদমতলীতে শিশু হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কদমতলী থানা পুলিশ

রিপোর্ট : শ্রাবন আহমেদ,

গ্রেফতারকৃতের নাম-মায়া বেগম ওরফে লাবনী (৪৫)। তাকে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কদমতলী থানাধীন খানকাহ শরীফ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

কদমতলী থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভিকটিমের মা মুন্নি আক্তার থানায় এসে জানান, তার শিশু ছেলে খেলতে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। এর প্রেক্ষিতে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮:০০ ঘটিকার সময় গেন্ডারিয়া থানা এলাকায় প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে অজ্ঞাত এক শিশুর লাশ পাওয়া যায়। মুন্নি আক্তারকে গেন্ডারিয়া থানায় নিয়ে গেলে তিনি লাশটি তার নিখোঁজ ছেলের বলে শনাক্ত করেন।

কদমতলী থানা পুলিশের তদন্ত টিম সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে এবং লাশের সঙ্গে থাকা কাপড় এলাকাবাসীকে দেখিয়ে শনাক্ত করার চেষ্টা চালায়। ভিকটিমের বোনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায় এই ধরনের জামা তাদের প্রতিবেশী মায়া বেগমের মেয়ের গায়ে দেখেছে। পুলিশ উক্ত প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জামাটি তার বলে স্বীকার করে, কিন্তু দেখাতে বললে খুঁজে পায় না। এতে পুলিশের সন্দেহ ঘনীভূত হয়।

পরবর্তীতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এবং প্রতিবেশী মায়া বেগমকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে, কয়েকদিন আগে তার মোবাইল ফোন চুরি হয় এবং সে মুন্নি আক্তারের মেয়েকে সন্দেহ করে। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বিরোধের জেরে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাস্তায় ভিকটিম শিশুটিকে একা পেয়ে খাবারের লোভ দেখিয়ে বাসায় ডেকে নেয়। মোবাইলের কথা জিজ্ঞাসা করে রেগে গিয়ে সে ভিকটিম শিশুটিকে সজোরে থাপ্পড় মারে। এতে শিশুটি খাটের ডাশায় মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাত পেয়ে তাৎক্ষণিক মারা যায়। লাশ গুম করতে ঘরে থাকা প্লাস্টিকের চালের ড্রামে ভরে রাখে এবং সারারাত পাহারা দেয়। পরদিন সকাল অনুমান ১০:৩০ ঘটিকার সময় অটোরিকশায় করে ড্রামটি নিয়ে গেন্ডারিয়ার লোহারপুল এলাকায় ময়লার স্তূপের পাশে ফেলে আসে। এ ঘটনায় মায়া বেগম লাবনীকে গ্রেফতার করে নারী পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page