শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীপুরে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু । চলে গেলেন না ফেরার দেশে এক পুলিশ সদস্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহনপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া। সায়দাবাদ চিশতিয়া সাইদিয়া দরবার শরীফ, জামে মসজিদের ২০০ ফিট উঁচু মিনার নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোদন। মসজিদে মাদকবিরোধী সচেতনতা: কঠোর অবস্থানের বার্তা পুলিশের চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের আমবাড়িয়ায় গতকাল পিটিয়ে বৃদ্ধাকে হত্যার প্রধান আসামি রিকুকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে তেল মর্দন/তোষামোদী করে সুবিধা হাতিয়ে নিতে তৎপর কিছু ব্যাক্তি বিশেষ, সাবধান থাকতে হবে এমপিকে চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সালিশ বৈঠকে একজনকে পিটিয়ে হত্যা অবৈধ ভাবে সাগর পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রাক্কালে আন্দামান সাগরে ট্রলার ডুবি: ২৭৩ নারী-পুরুষের মাঝে জীবিত উদ্ধার ৯ জন , নিখোঁজ ২৪৬ বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতি গাজীপুর এর ঈদ পূর্ণমিলনী ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ।

মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে?

রমজানের রোজা রাখা ফরজ। ফরজ ইবাদত পালন না করলে আল্লাহর সামনে জবাবদিহিতা করতে হবে। কেউ সঙ্গত কারণে রোজা রাখতে না পারলে কাজা রোজার বিধান রয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে (রমজানে) উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে ব্যক্তি অসুস্থ বা মুসাফির হয়, সে অন্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে, আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজটাই চান, কঠিন করতে চান না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৫)
তবে ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভাঙা উচিত নয়। কারণ, পরবর্তীতে কাজা আদায় করলেও তা বর্তমান রোজার ফজিলতের সমতুল্য হবে না কখনো। এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি শরিয়তসম্মত কারণ বা অসুস্থতা ছাড়া রমজানের একটি রোজা ভাঙে, তার ওই রোজার বিপরীতে সারা জীবনের রোজাও রমজানের একটি রোজার সমমর্যাদা ও স্থলাভিষিক্ত হবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭২৩)

এজন্য যথাসম্ভব রোজা কাজা না করার চেষ্টা করা উচিত। তবে কাজা হয়ে গেলে তা দ্রুত আদায় করা উচিত। তবে কেউ যদি রোজার কাজা আদায় করতে না পারেন এবং এর আগেই মৃত্যু বরণ করেন, তাহলে তার রোজার বিধান কী এবং জীবিত অন্য কেউ তার পক্ষ থেকে সেই রোজার কাজা আদায় করতে পারবেন কিনা?
এ বিষয়ে ফেকাহবিদদের মতামত হলো— কারো অনাদায়ী বা কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে না। অন্য কেউ রাখলেও সেই মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে তা আদায় হবে না।
আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-কে অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখা কিংবা অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন,

কেউ অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখবে না এবং অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ পড়বে না। (মুআত্তা ইমাম মালেক : ৯৪)

তাই এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির কাজা রোজার জন্য ফিদইয়া আদায় করতে পারেন তার জীবিত স্বজনরা। ফিদইয়া হিসেবে প্রতিটি রোজার জন্য কোনো দরিদ্রকে দু’ বেলা খাবার বা তার মূল্য দান করতে পারেন। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৭)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page