বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন, আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য জিবিসি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভ কামনা সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিবাচক: বিএমএসএফ করিমগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলি জমি বিলীন, ভাঙনের মুখে গ্রাম হারানো মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা, কিশোরগঞ্জ পুলিশের সাফল্য চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর করে দেড় লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রাম শহরের ‘ফুসফুস’ খ্যাত সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের ‘নতুন উদ্যোগের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ট্রেন থেকে পড়ে কিশোর নিহত চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে প্রধান অতিথি বানিয়ে-সম্মাননা দিয়ে অতিতের সব কিছু বৈধ করে নিচ্ছে একটি মহল! গাজীপুরে দুই বাসের রেষারেষিতে সুপারভাইজারের মৃত্যু: মরদেহ সরালো মালিকপক্ষ!

জীবনের ভয় নিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন হাথুরুসিংহে

৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে পালাবদলের হাওয়া ছিল দেশের প্রায় সব অঙ্গনেই। বাদ যায়নি দেশের ক্রিকেটও। ক্রিকেট বোর্ডে এসেছেন নতুন সভাপতি। নতুন দুই পরিচালকও যুক্ত হন এই সময়ে এসে। রাজনৈতিক প্রোফাইলের কারণে পরপর বৈঠক অনুপস্থিত থেকে পরিচালকের পদও হারিয়েছেন অনেকেই।
বদল এসেছে হেডকোচের পদেও। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বিশ্বকাপ জেতানো ফিল সিমন্সকে উড়িয়ে আনা হয়েছে টাইগার ক্রিকেটের গুরুর পদে। বাদ পড়েছেন চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। যদিও পদত্যাগের আগে তাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শোকজ নোটিশও দিয়েছিল বিসিবি।

সেই ঘটনার অনেকগুলো দিন পর এবার মুখ খুললেন বাংলাদেশের সাবেক এই কোচ। অস্ট্রেলিয়ার ‘কোড স্পোর্টস’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ দলের সাবেক কোচ এমনটাই জানিয়েছেন। ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ যার সারাংশ প্রকাশ করেছে।
চন্ডিকার দাবি অনুযায়ী, অনেকটা প্রাণভয় নিয়েই বাংলাদেশ ছেড়ে গিয়েছিলেন তিনি। সাধারণ অবস্থায় বাংলাদেশে নিরাপত্তার জন্য একজন গানম্যান থাকলেও শেষ সময়ে তাও পাননি। এমনকি বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মতো গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কাও ছিল লঙ্কান এই হেডকোচের। তার ভাষ্য, ‘আমার উদ্দেশে বাংলাদেশের সিইওর (নিজাম উদ্দিন চৌধুরী) শেষ কথাটি ছিল, আমার চলে যাওয়া উচিত। এ ব্যাপারে বোর্ডের কাউকে কিছু বলার দরকার নেই। “আপনার কাছে কি (বিমানের) টিকিট আছে?” এটা আমার কাছে একটা সতর্কীকরণ সংকেত মনে হলো। তখনই আমি একটু ভয় পেয়ে গেলাম।’
হাথুরুসিংহে বলেন, ‘আমি সোজা ব্যাংকে গেলাম, বাংলাদেশ ছাড়ার জন্য টাকা নেয়ার চেষ্টা করছিলাম। আমি যখন ব্যাংকে, তখন টিভিতে একটি ব্রেকিং নিউজ এল— “চন্ডিকা চাকরিচ্যুত, একজন খেলোয়াড়কে লাঞ্ছিত করেছেন”। এটা দেখে ব্যাংকের ব্যবস্থাপক বললেন, “কোচ, আমি আপনার সঙ্গে যাব। মানুষ আপনাকে রাস্তায় দেখে ফেললে সেটা আপনার জন্য নিরাপদ হবে না।”’

দেশত্যাগের সময়কার কথা উল্লেখ করেন এভাবে, ‘এবার আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়লাম। কারণ, আমাকে বাংলাদেশ থেকে বের হতে হবে। আমার এক বন্ধু আমাকে বিমানবন্দরে নিয়ে গিয়েছিলেন। আমি একটি টুপি ও হুডি পরে ছিলাম, কোনো ধরনের সুরক্ষা ছিল না। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের মধ্যরাতের ফ্লাইটে আমি বাংলাদেশ ছেড়েছিলাম।’
বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতাদের মতো হাথুরুসিংহে নিজেও গ্রেপ্তারের শঙ্কায় ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন কোড স্পোর্টসের সেই সাক্ষাৎকারে, ‘বাংলাদেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করার জন্য তারা (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) আমাকে বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার করতে পারত। সেখানে এমনও ঘটেছে যে আগের সরকারের একজন মন্ত্রী দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করলে রানওয়েতে বিমানটি থামানো হয়েছিল এবং তারা তাঁকে বিমান থেকে বের করে এনেছিল। আমার মনে তখন এসবই ঘুরপাক খাচ্ছিল।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page