শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চলে গেলেন না ফেরার দেশে এক পুলিশ সদস্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহনপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া। সায়দাবাদ চিশতিয়া সাইদিয়া দরবার শরীফ, জামে মসজিদের ২০০ ফিট উঁচু মিনার নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোদন। মসজিদে মাদকবিরোধী সচেতনতা: কঠোর অবস্থানের বার্তা পুলিশের চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের আমবাড়িয়ায় গতকাল পিটিয়ে বৃদ্ধাকে হত্যার প্রধান আসামি রিকুকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে তেল মর্দন/তোষামোদী করে সুবিধা হাতিয়ে নিতে তৎপর কিছু ব্যাক্তি বিশেষ, সাবধান থাকতে হবে এমপিকে চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সালিশ বৈঠকে একজনকে পিটিয়ে হত্যা অবৈধ ভাবে সাগর পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রাক্কালে আন্দামান সাগরে ট্রলার ডুবি: ২৭৩ নারী-পুরুষের মাঝে জীবিত উদ্ধার ৯ জন , নিখোঁজ ২৪৬ বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতি গাজীপুর এর ঈদ পূর্ণমিলনী ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত । জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৮তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত

ফের ৪ দিনের রিমান্ডে ইনু

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন রাজধানীর প্রগতি সরণিতে মনির নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় জাসদের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) ইনুকে আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির গুলশান জোনাল টিমের উপ-পরিদর্শক আবু জাফর বিশ্বাস। অন্যদিকে আসামির রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শরীফুর রহমান তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ইনুর আইনজীবীরা শুনানিতে আদালতকে বলেন, রাজনৈতিক কারণে হাসানুল হক ইনুকে হয়রানি করার জন্য এ মামলায় আসামি করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। এ মামলায় রিমান্ড না দেওয়ার অনুরোধ করছি, প্রয়োজনে জেলগেট জিজ্ঞাসাবাদ দেন। এ সময় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে বলেন, আসামি ইনু হত্যা মামলায় ৯ নম্বর আসামি। হত্যাকাণ্ডের সময় নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে তার ভূমিকা ছিল। মামলার সত্য উদঘাটনের জন্য তার ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, ইনু এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।ইনুদের মতো ১৪ দলীয় জোটের নেতাদের ইন্ধনে শেখ হাসিনা এত বড় গণহত্যা চালিয়েছেন। তাই তার সর্বোচ্চ রিমান্ড প্রার্থনা করছি।
মামলার সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গত ১৯ জুলাই গুলশান থানাধীন প্রগতি সরণিতে মো. বাহাদুর হোসেন মনির রাস্তা পার হয়ে বাসায় যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন৷

এ ঘটনায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর নিহতের পিতা মো. আবু জাফর রাজধানীর গুলশান থানায় শেখ হাসিনাসহ ১০৫ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page