বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইতে ভূঁইফোঁড় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অবাধ ছড়াছড়ি, প্রকৃত সাংবাদিকদের মান বাঁচানো ও দায় হয়ে পড়েছে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন আমি আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত নই, সুতরাং দোসর হলাম কি ভাবে? এমন প্রশ্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের? শ্রীপুরে আবদার এলাকায় প্রভিটা কারখানার ভেতরে বিএডিসির পরিত্যক্ত নলকূপ উত্তোলনের অভিযোগ পাম্প ও লোহার পাইপসহ মালামাল জব্দ । চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ ছুঁটি খাঁ দীঘিতে পানি সেচের মোটর বসাতে গিয়ে বিদ্যূৎ স্পৃষ্ট হয়ে একজন নিহত হয়েছেন। কাশিমপুরে পুলিশের অভিযানে চুরি ও হামলার ঘটনায় ২ আসামী গ্রেফতার । গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক যাত্রাবিরতি, নববর্ষে জনসমুদ্রের উচ্ছ্বাসে উষ্ণ অভ্যর্থনা চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে মুরগি ব্যবসায়ী থেকে ৩ লাখ টাকা লুট, আরো বেশি লাভের আশায় অপহরণ, গ্রেপ্তার ২, পলাতক ৪ জাতীয়করণের দাবিতে কিশোরগঞ্জে ইবতেদায়ী শিক্ষকদের মানববন্ধন চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধ ঘোষণা

পার্বত্যাঞ্চলের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে একযোগে কাজ করার আহ্বান

পার্বত্য জেলাগুলোর অগ্রগতির ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের ২৭ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের ২৭ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আমি পার্বত্য তিন জেলার সব অধিবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

তিনি বলেন, পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। যুগ যুগ ধরে এই তিন পার্বত্য জেলায় বসবাসরত বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বর্ণিল জীবনাচার, ভাষা, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি এ অঞ্চলকে বিশেষভাবে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছে।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের উন্নয়ন সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে এক ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ অঞ্চলের উন্নয়নে গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ।

তিনি বলেন, চুক্তি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের আর্থসামাজিক, অবকাঠামো ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন চলমান রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপার আধার। আমাদের ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ জাতির সব সংকট ও ক্রান্তিকালে পার্বত্য অঞ্চলের অধিবাসীদের ছিল স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে বহুমুখী সংস্কার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর সফল বাস্তবায়ন বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত একটি পার্বত্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘পার্বত্য জেলাসমূহের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও টেকসই ও বেগবান হবে, উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে এগিয়ে যাবে পার্বত্য অঞ্চল— এ প্রত্যাশা করি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page