রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ড্রাম ট্রাক চাপায় নিহত থানা যুবদলের আহবায়ক কামাল স্মরণে শোক্ সভা অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে দুই স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু । চলে গেলেন না ফেরার দেশে এক পুলিশ সদস্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোহনপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া। সায়দাবাদ চিশতিয়া সাইদিয়া দরবার শরীফ, জামে মসজিদের ২০০ ফিট উঁচু মিনার নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোদন। মসজিদে মাদকবিরোধী সচেতনতা: কঠোর অবস্থানের বার্তা পুলিশের চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের আমবাড়িয়ায় গতকাল পিটিয়ে বৃদ্ধাকে হত্যার প্রধান আসামি রিকুকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসনের এমপি নুরুল আমিনকে তেল মর্দন/তোষামোদী করে সুবিধা হাতিয়ে নিতে তৎপর কিছু ব্যাক্তি বিশেষ, সাবধান থাকতে হবে এমপিকে চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সালিশ বৈঠকে একজনকে পিটিয়ে হত্যা অবৈধ ভাবে সাগর পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রাক্কালে আন্দামান সাগরে ট্রলার ডুবি: ২৭৩ নারী-পুরুষের মাঝে জীবিত উদ্ধার ৯ জন , নিখোঁজ ২৪৬

মানুষকে বিনয়ী করে যে গুণগুলো

চারটি অনুপম এমন গুণ আছে, যেগুলো সাধারণত কোনো নীতিবান বিনয়ী ব্যক্তির মধ্যে পাওয়া যায়। নবীজির মধ্যে গুণগুলো ষোলোআনা বিদ্যমান ছিল। সেগুলো হলো—

অসুস্থ মানুষের সেবা-শুশ্রূষা: নবী (সা.) ধনী-নির্ধন নির্বিশেষে সবার খোঁজখবর নিতেন। কেউ অসুস্থ হওয়ার সংবাদ পেলে নিঃসংকোচে ওই ব্যক্তির শুশ্রূষা করার জন্য যেতেন। এমনকি একবার তাঁর এক ইহুদি খাদেম অসুস্থ হলে তাঁরও শুশ্রূষা করেন নবীজি। চাচা আবু তালিব ইসলাম গ্রহণ করেননি; তবুও তাঁর শুশ্রূষা করতে কখনো দ্বিধা করেননি।
জানাজায় অংশগ্রহণ: নবীজি মানুষের জানাজায় শরিক হতেন। নিজেই জানাজার সালাত পড়াতেন। জানাজার পর মরদেহ নিয়ে গোরস্তান পর্যন্ত হেঁটে যেতেন এবং দাফনকাজে শরিক হতেন। একবার মসজিদে নববির ঝাড়ুদাতা এক নারী রাতে ইন্তিকাল করেন। রাতে নবীজির কষ্ট হতে পারে এ আশঙ্কায় তাঁকে সংবাদ দেওয়া হয়নি। নিজেরাই ওই নারীর কাফন-দাফনের কাজ সম্পন্ন করেন সাহাবিরা। পরে এ সংবাদ শুনে নবীজি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং ওই নারীর কবরে গিয়ে জানাজা পড়ে আসেন।
যে কারও নিমন্ত্রণ গ্রহণ করা: ধনী-দরিদ্র সবার নিমন্ত্রণ কবুল করা উচিত। গরিব মানুষের নিমন্ত্রণ গ্রহণ করা এবং তাঁদের কথা শোনা অন্যতম ভালো গুণ। প্রিয়নবী (সা.) সব মানুষের বক্তব্য শুনতেন। কোনো ক্রীতদাসও যদি তাঁকে নিজ প্রয়োজন সমাধা করতে ডাকত, তিনি নিঃসংকোচে চলে যেতেন। একে আত্মমর্যাদায় আঘাত বিবেচনা করতেন না।

নিম্নমানের বাহনে আরোহণ: প্রিয়নবী (সা.)-এর জন্য উট, ঘোড়া ইত্যাদি উন্নত বাহনের ব্যবস্থা ছিল। তবুও তিনি বিনয় প্রকাশার্থে গাধা ও খচ্চরের পিঠে সাওয়ার হতেন। একে নিজের জন্য অপমানজনক মনে করতেন না। খায়বার যুদ্ধ, বনু কুরায়জা ও বনু নাজির যুদ্ধে তিনি মুসলিম বাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে রণাঙ্গন পরিচালনা করেন। সেখানে তাঁর বাহন ছিল সামান্য একটি গাধা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page