পাঞ্জাব কিংস এবং চেন্নাই সুপার কিংসের মধ্যেকার ম্যাচটা যারা দেখেছেন তারা নিজেদের এক অর্থে ভাগ্যবান বলতেই পারেন। রোজ রোজ নিশ্চয়ই টি-টোয়েন্টির দুই ইনিংসেই ২০০ রানের দেখা মেলে না। অবশ্য আইপিএলে গতকাল দুই ম্যাচের চার ইনিংসেই হয়েছে ২০০ এর বেশি রান। ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য বেশ ভালো একটা বিনোদনের দিন বলা চলে অনায়াসে।
তবে পাঞ্জাবের প্রিয়াংশ আর্যের ইনিংসটাকে নিয়ে কিছুটা আলাদা আলোচনার দাবি রাখে । ৩৯ বলে সেঞ্চুরি করে আইপিএল ইতিহাসেই চতুর্থ দ্রুততম সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন এই তরুণ ব্যাটার। তার এক সেঞ্চুরিতে একাধিক রেকর্ড তো ভেঙেছেই, দল হিসেবেও ইতিহাস গড়েছে পাঞ্জাব কিংস। যার পেছনে বড় অবদান রেখেছেন শশাঙ্ক সিং এবং মার্কো ইয়ানসেন।
চেন্নাইয়ের বিপক্ষে মুল্লানপুরে ঘরের মাঠে পাঞ্জাব সংগ্রহ করেছিল ২১৯ রান। যদিও শুরুটা হয়েছিল নড়বড়ে। ৮৩ রান তুলতেই হারিয়েছিল ৫ উইকেট। সেই পাঁচ ব্যাটসম্যানের কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। অর্থাৎ, প্রথম ৫ উইকেট হারানোর পর পাঞ্জাব স্কোরবোর্ডে তুলেছে আরও ১৩৬ রান। আইপিএলে প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট পতনের পর সবচেয়ে বেশি রান সংগ্রহের নতুন রেকর্ড এটি।
৬ষ্ঠ উইকেটে দুর্দান্ত খেলতে থাকা আর্যকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন শশাঙ্ক সিং। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে দুজন মাত্র ৩৪ বলে ৭১ রান যোগ করে দলীয় ১৫৪ রানে আর্য আউট হলে ক্রিজে আসেন মার্কো ইয়ানসেন। সেই জুটিতে ৩৮ বলে আসে ৬৫ রান। তাতেই রানের নতুন রেকর্ড করে ফেলে পাঞ্জাব।
দলীয় রেকর্ড সমৃদ্ধ করতে গিয়ে ৫২ রানের ইনিংস খেলেছেন শশাঙ্ক সিং। ছোটোখাটো একটা রেকর্ড করে ফেলেছে তার সেই ইনিংসটাও। পাঞ্জাব কিংসের হয়ে ৭ নম্বর বা তার নিচে নেমে তৃতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর এখন তার। সাত বা এর নিচে নেমে সর্বোচ্চ ৬১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন আশুতোষ শর্মা (২০২৪ আইপিএল)। ৬০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ইরফান পাঠান (২০১০ সাল)।