এম, এ কাশেম চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : গত ২৪ ঘন্টায় ৩৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হওয়ার পর যে কোনো শহরের বাসা, বাড়ি-ঘর, অফিস আদালত, কলকারখানা সহ অন্যান্য স্থাপনা ডুবে যাওয়া টা স্বাভাবিক পর্যায় পড়ে বলে আবহাওয়া সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের অভিমতে উঠে এসেছে যে, এমন সময়টি আবহাওয়ার বিরুপ তার কারণে দূর্যোগের সময় কাল।
ভোর সকাল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টি দিনের বেলায় ২ ঘন্টা বিরতি দিয়ে পুনরায় শুরু হয়েছে । আর এতে শহরের অধিকাংশ নিচু এলাকার বিভিন্ন রাস্তা, বাসা, বাড়ি-ঘর সহ অন্যান্য স্থাপনা গুলো ডুকে রয়েছে।
এভাবে চলতে থাকলে রাতের চিত্র আরো ভয়াবহ হতে পারে বলে ও আভিজ্ঞ জনদের অভিমত।
চট্টগ্রাম শহর ও তার আশপাশে এলাকা গুলোর নিম্নাঞ্চল এর চিত্রে বিগত ৩৫ বছরে একনাগাড়ে টানা বৃষ্টি হয়নি বলে ও একাধিক প্রবীণ অভিজ্ঞতা সম্পন্নরআ অভিমত প্রকাশ করেন।
সাগর এবং তার সংযোগস্থল কর্ণফুলী নদীর জোয়ার ভাটা সহ একাধিক কারণে এই জলজটের কারণ বলে মনে করছেন অনেকেই।শহরের বিভিন্ন খাল, বিল ও নালা সমুহের অনেক উন্নতি হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ আগেকার তুলনার চাইতে এখন অনেক কম হচ্ছে। শহরের উঁচু পাহাড়ি এলাকা চন্দ্রনগর, আকবর শাহ, খুলশি, মতিঝর্ণা, বাটালি হিল, ঝাউতলা,আরেফিন নগর, বায়েজিদ ও জঙ্গল সলিমপুর সহ তৎসংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী বিভিন্ন পরিবার এবং পাহাড়ের পাদদেশে থাকেন যারা থাকেন তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।অতিদ্রুত ওই সব এলাকায় বসবাসকারী সবাই কে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া প্রয়োজন।
এর পরও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সিটি কর্পোরেশন, সেনা ও নৌ বাহিনী সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরী বলে ও অভিমত প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাক্তিরা।