সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের ইছাখালীতে পুকুরে পড়ে এক শিক্ষার্থীর রহস্য জনক মৃত্যু, লাশ উদ্ধার। গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিপিএম(বার) কর্তৃক শ্রীপুর মডেল থানা পরিদর্শন, চট্টগ্রামের বিএনপি’র রাজনীতিতে দুই শিংহ পুরুষ আসলাম চৌধুরী ও ডাক্তার শাহাদাত হোসেন, একজন কোণঠাসা অপরজন ষড়যন্ত্রের শিকার ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা, আলোচনায় মির্জা ফয়সল আমীন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন বিএনপির ওবায়দুল্লাহ মাসুদ চাঁদাবাজির একটা প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দিবো: মির্জা ফয়সল চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে এসএসসি ও সমমনা পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৩০০ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে দেশটা আমাদের সবার, আমরা দেশ-গ্রামের উন্নয়ন করতে চাই, দলের কেউ অপরাধের সাথে জড়িত থাকলে কোনো ছাড় নাই ….নুরুল আমিন এমপি চট্টগ্রামের মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের ফার্মিক স্টিল মিলে দগ্ধ ৪ জনের মধ্যে চীনা নাগরিক সহ ৩ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন। চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটের বাসা থেকে ১৯ দিন যাবত নিখোঁজ দুই সন্তানের মা নাজমা!সন্তানরা মায়ের অপেক্ষায়

ঋণের ‘ফাঁদ’ বানাচ্ছে চীন?

এই প্রকল্পকে বলা হচ্ছে একবিংশ শতাব্দীর ‘সিল্ক রোড’। এই প্রকল্পের ফলে সংযুক্ত হবে ৭০টিরও বেশি দেশ। এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অনেকগুলো দেশ সংযুক্ত হবে এই নেটওয়ার্কে। সংযুক্ত দেশগুলোর জনসংখ্যা পুরো পৃথিবীর অর্ধেক। আর দেশগুলোর সম্মিলিত দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) পৃথিবীর চার ভাগের এক ভাগ। বুঝুন অবস্থা!

 

এর পোশাকি নাম ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’, উদ্যোক্তা চীন। সি চিন পিংয়ের দেশ বলছে, এটি বাস্তবায়িত হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অর্থনীতি ও যোগাযোগব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হবে। তবে শুরুর পাঁচ বছর পর এসে প্রশ্ন উঠছে—এটি কি উন্নয়নের পথ, নাকি ঋণের ফাঁদ? চীন এই প্রকল্প দিয়ে অন্যান্য দেশগুলোর উপকার করতে চাইছে, নাকি গলায় পরাতে চাইছে ফাঁস? নিন্দুকেরা বলছেন, ঋণের ফাঁদে ফেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার আঞ্চলিক রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে চীন।

 

Eprothom Aloবেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বাস্তবায়ন করতে আদতে কত খরচ হচ্ছে? গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, ব্যয় হতে পারে এক লাখ কোটি ডলার। এরই মধ্যে ২১ হাজার কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ করে ফেলেছে চীন, যার সিংহভাগই হয়েছে এশিয়ায়। আর এই প্রকল্পের কাজগুলো একচেটিয়াভাবে করছে চীনা নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোই। ফলে, নানা দেশের সঙ্গে করা চুক্তির ফলে লাভবান হচ্ছে চীন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page