রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্যাথল্যাব-এমআরআইসহ আধুনিক সরঞ্জাম চায় কিশোরগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ চট্টগ্রামের মীরসরাইতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীতে ঠাসাঠাসি বিএনপি’, একক প্রার্থী চুড়ান্ত নিয়ে এগুচ্ছে জামায়াত চট্টগ্রামের চন্দনাইশে প্রথম কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ’র জার্সি উন্মোচন ছয় বিভাগ নিয়ে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করবে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকার আশকোনা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে মীরসরাইয়ের মেয়ে-গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ, স্বামী আটক চট্টগ্রামের মীরসরাইতে সাংবাদিক নামধারী ২ চাঁদাবাজ পিটুনির শিকার ও একজন জেল হাজতে যাওয়ার পর কিছু টা কমেছে অপ সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য গাজীপুরকে আদর্শ সিটি হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার: সারদাগঞ্জে আরসিসি ঢালাই কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন মিয়ানমারে পাচারকালে ১ হাজার ২ শতো ৬০ বস্তা সিমেন্ট সহ দু’টি কার্গো বোট আটক করেছে কোস্টগার্ড ঠাকুরগাঁও-১: ফয়সলই বিএনপির প্রার্থী যাত্রাবাড়ী-মহাখালী ও আগারগাঁওয়ে হাতবোমা বিস্ফোরণ

বাংলাদেশ মানবিকতার দৃশ্যমান নিদর্শন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তিন দিনের সফরে গতকাল সোমবার ঢাকায় আসেন। গতকালই তিনি কক্সবাজার চলে যান। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থা দেখতেই জোলির বাংলাদেশ সফর। এ সমস্যা সমাধানে করণীয় নিয়েও কথা তিনি কথা বলেছেন আজ।

 

গতকালের মতো আজও রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন জোলি। পরে কুতুপালংয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন। ইউএনএইচসিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জোলির বক্তব৵ তুলে ধরা হয়েছে।

 

জোলি বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়। এখনো বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আসা অব্যাহত আছে।

 

জোলি বলেন, ‘আজ কক্সবাজারে যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে আছি, সেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়শিবিরটি। এখানে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গার আশ্রয় হয়েছে।’ তিনি বলেন, সব শরণার্থীই দুর্দশাগ্রস্ত। তবে রোহিঙ্গারা শুধু গৃহহারা নয়, তারা দেশহারা।

 

বিভিন্ন মানবিক তৎপরতায় জোলি বলেন, রোহিঙ্গাদের যে দেশে জন্ম, সেই দেশের নাগরিকত্ব তারা পায়নি। এটি সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন। তাদের রোহিঙ্গা নামে ডাকাও হয় না।

 

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, দেশে ফেরার পূর্ণ অধিকার আছে রোহিঙ্গাদের। তবে তখনই তারা দেশে ফিরবে, যখন তারা মনে করবে সেখানে তাদের যথেষ্ট নিরাপত্তা আছে। আর ফিরে যাওয়ার পর তাদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো হবে, সেই নিশ্চয়তাও পেতে হবে।

জোলি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের পর তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘গতকাল এক নারীর সঙ্গে কথা হলো। তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মিয়ানমারে। তিনি আমাকে বললেন, “আমার নিরাপদ ব্যবস্থা না করে যদি ফেরত পাঠাতে চান, এর আগে আমাকে এখানেই মেরে ফেলুন।”’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page