মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীপুরের নয়নপুর-বরমী আঞ্চলিক সড়কে এখন ধান চাষ কর্তৃপক্ষের কি কোনো দায় নেই ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সাফল্য, ৬ বছরে ডক্টরটাইমের ৯.৫ লাখ ভিডিও পরামর্শ কাশিমপুর ভূমি অফিসে দাপ্তরিক কাজে অযোগ্যতা, এবং বহিরাগত দালাল মারফত বিভিন্ন কার্য সম্পাদনের দায়ে অভিযুক্ত সবাইকে বরখাস্ত। বাংলাদেশ-নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে: মির্জা ফখরুল ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচ (১ম পর্যায়ে) এর প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে পিকআপ- মোটরসাইকেল সংঘর্ষে মসজিদের ইমাম-খতিব ও মুয়াজ্জিন নিহত চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে জঙ্গলাবিষ্ট পথ ও কবরস্থানের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন সেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহিন তুরাগ নদীতে নৌকা ভাড়া করে ডিজে পার্টির নামে ম-দ ও নারী নিয়ে উন্মাদনায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। শ্রীপুরে বিকাশ ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে ৩ লক্ষাধিক টাকা ও মোবাইল ছিনতাই; ভুক্তভোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মীরসরাইয়ে নতুন ভোটার হতে তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের দীর্ঘ লাইন, ঘন্টার পর ঘণ্টা ভোগান্তিতে

বাংলাদেশ মানবিকতার দৃশ্যমান নিদর্শন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি তিন দিনের সফরে গতকাল সোমবার ঢাকায় আসেন। গতকালই তিনি কক্সবাজার চলে যান। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থা দেখতেই জোলির বাংলাদেশ সফর। এ সমস্যা সমাধানে করণীয় নিয়েও কথা তিনি কথা বলেছেন আজ।

 

গতকালের মতো আজও রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন জোলি। পরে কুতুপালংয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন। ইউএনএইচসিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জোলির বক্তব৵ তুলে ধরা হয়েছে।

 

জোলি বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে চলে আসতে বাধ্য হয়। এখনো বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আসা অব্যাহত আছে।

 

জোলি বলেন, ‘আজ কক্সবাজারে যেখানে আমরা দাঁড়িয়ে আছি, সেখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়শিবিরটি। এখানে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গার আশ্রয় হয়েছে।’ তিনি বলেন, সব শরণার্থীই দুর্দশাগ্রস্ত। তবে রোহিঙ্গারা শুধু গৃহহারা নয়, তারা দেশহারা।

 

বিভিন্ন মানবিক তৎপরতায় জোলি বলেন, রোহিঙ্গাদের যে দেশে জন্ম, সেই দেশের নাগরিকত্ব তারা পায়নি। এটি সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন। তাদের রোহিঙ্গা নামে ডাকাও হয় না।

 

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, দেশে ফেরার পূর্ণ অধিকার আছে রোহিঙ্গাদের। তবে তখনই তারা দেশে ফিরবে, যখন তারা মনে করবে সেখানে তাদের যথেষ্ট নিরাপত্তা আছে। আর ফিরে যাওয়ার পর তাদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো হবে, সেই নিশ্চয়তাও পেতে হবে।

জোলি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের পর তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘গতকাল এক নারীর সঙ্গে কথা হলো। তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মিয়ানমারে। তিনি আমাকে বললেন, “আমার নিরাপদ ব্যবস্থা না করে যদি ফেরত পাঠাতে চান, এর আগে আমাকে এখানেই মেরে ফেলুন।”’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page