শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসা, অনুদান ও উপহার বিতরণ মীরসরাই সহ পুরো চট্টগ্রাম জুড়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ও ফ্যাসিবাদের দোসর সাংবাদিকতা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল ও কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে পৌর বিএনপি। ইবনে সিনা কোম্পানির শ্রমিক হত্যার বিচারের দাবীতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন। কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ৫,৭০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক ভালুকায় ভারতীয় ৯০ বোতল মদ ও প্রাইভেটকার সহ আটক -১ বোরো ধান কর্তনের মধ্য দিয়ে করিমগঞ্জে কৃষি মৌসুমের সূচনা চট্টগ্রামের মীরসরাইতে ভূঁইফোঁড় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অবাধ ছড়াছড়ি, প্রকৃত সাংবাদিকদের মান বাঁচানো ও দায় হয়ে পড়েছে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন আমি আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত নই, সুতরাং দোসর হলাম কি ভাবে? এমন প্রশ্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের?

ভারতের মহারাষ্ট্রে ১৭ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রে ১৭ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভারতে অবৈধ প্রবেশ ও বসবাসের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৩ জন নারী।বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় পুলিশের সাথে সমন্বয় করে ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ ও বসবাসের জন্য ১৪ জন পুরুষ এবং তিনজন নারীসহ ১৭ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মহারাষ্ট্র অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস)।
ইন্ডিয়া টুডে বলছে, মুম্বাই, নাভি মুম্বাই, থানে এবং নাসিকে অভিযান চালানোর পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজ্যে অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এই অভিযান শুরু করে তারা।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, “এটিএস স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় এই সপ্তাহে মুম্বাই, নাভি মুম্বাই, থানে এবং নাসিক শহরে অভিযান চালায়। এতে ১৪ জন পুরুষ এবং তিনজন নারীসহ অন্তত ১৭ বাংলাদেশি নাগরিককে বিনা অনুমতিতে ভারতে প্রবেশ করার জন্য এবং বৈধ নথি ছাড়াই সেখানে থাকার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়।”

তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই লোকেরা ভারতে থাকার জন্য আধার কার্ড এবং প্যান কার্ডের মতো জাল নথি ব্যবহার করেছিল। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টসহ অন্যান্য আইনের অধীনে কমপক্ষে ১০টি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page