রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের করেরহাট এলাকায় মায়ের সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে কৃতকার্য শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে পুজা উদযাপন পরিষদের কমিটি গঠন: সভাপতি রাজিব সম্পাদক মোহন চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের এমপি সহ ওমরা হজ্জ্ব করে আসা অপরাপর বিএনপি নেতাদের সাথে শ্রমিক দল নেতা হারুনের সাক্ষাত চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ১২৬টি কনটেইনারে তিন হাজার ২৬৮ মেট্রিক টন পণ্য পরিবেশ সম্মত উপায়ে ধ্বংস উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামের মীরসরাইতে ভূয়া সাংবাদিক বেড়ে গেছে! বিএনপি’র নেতা কর্মীদের ক্ষোভ, কিন্তু তাদেরকে শেল্টার দিচ্ছে কারা? চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে সাবেক চেয়ারম্যান নওশা মিয়ার ঘরে খাবারের সাথে ঔষধ মিশিয়ে চুরি, ছোটো বাচ্চা সহ ৬ নারী-পুরুষ হাসপাতালে ভর্তি। ধর্মীয় আবহে কটিয়াদী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের পন্থিচিলা এলাকায় গরু বাহী ট্রাক উল্টে ব্যবসায়ী নিহত, মারা গেছে ৫ টি গরু, ৬টি জবাই,আহত হয়েছে ৭ টি গরু মির্জা ফখরুলের ছেড়ে আসা ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন ঘিরে নতুন হিসাব বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন ও কৃষক সমিতির প্রতিবাদী জামায়েত

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ১২৬টি কনটেইনারে তিন হাজার ২৬৮ মেট্রিক টন পণ্য পরিবেশ সম্মত উপায়ে ধ্বংস উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ

 

এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ১২৬টি কনটেইনারে তিন হাজার ২৬৮ মেট্রিক টন পণ্য পরিবেশ সম্মত উপায়ে ধ্বংস উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস।
এসব কনটেইনারে নিলাম অযোগ্য, নিম্নমান সহ মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রয়েছে।
২৫ আগস্ট (মঙ্গরবার) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ আল আমিন শেখ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন সংবাদ মাধ্যমকে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ধ্বংসযোগ্য পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩৪ কনটেইনার নিম্নমানের খেজুর, ৪০ কনটেইনার মেয়াদোত্তীর্ণ সোডা অ্যাশ, ১৮ কনটেইনার মেয়াদোত্তীর্ণ ফিড গ্রেড লাইম স্টোন এবং অন্যান্য পচনশীল ও নষ্ট পণ্য, যেমন- কমলা, পেঁয়াজ, কাজুবাদাম (কেশনাট) ইত্যাদি।
গতকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে চট্টগ্রাম বন্দর রিপাবলিক ক্লাবের পেছনের নির্ধারিত স্থানে এসব পণ্য ধ্বংস কার্যক্রম শুরু হয়। যাহা নিরবচ্ছিন্ন ভাবে পরিচালিত হয়। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বিজিবি, আনসার সদস্য এবং স্থানীয় বন্দর থানা পুলিশের একটি দল সরেজমিনে উপস্থিত থেকে পুরো ধ্বংসকাজের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সহ সার্বিক সহায়তা প্রদান করেন।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃক পরিচালিত পচনশীল ও ক্ষতিকর পণ্য ধ্বংসের এ কার্যক্রম চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার জট নিরসনে অত্যন্ত কার্যকরী অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করছে এনবিআর।
চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সহযোগিতায় বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলাম-অযোগ্য এবং ধ্বংসযোগ্য পণ্যসমূহ পর্যায়ক্রমে ধ্বংস করার এ প্রক্রিয়া জরুরি ভিত্তিতে অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page