শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসা, অনুদান ও উপহার বিতরণ মীরসরাই সহ পুরো চট্টগ্রাম জুড়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ও ফ্যাসিবাদের দোসর সাংবাদিকতা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল ও কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে পৌর বিএনপি। ইবনে সিনা কোম্পানির শ্রমিক হত্যার বিচারের দাবীতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন। কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ৫,৭০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক ভালুকায় ভারতীয় ৯০ বোতল মদ ও প্রাইভেটকার সহ আটক -১ বোরো ধান কর্তনের মধ্য দিয়ে করিমগঞ্জে কৃষি মৌসুমের সূচনা চট্টগ্রামের মীরসরাইতে ভূঁইফোঁড় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অবাধ ছড়াছড়ি, প্রকৃত সাংবাদিকদের মান বাঁচানো ও দায় হয়ে পড়েছে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন আমি আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত নই, সুতরাং দোসর হলাম কি ভাবে? এমন প্রশ্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের?

১৯ সন্তানের মা হয়েও ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন সৌদি নারীর

সন্তানদের পরিচর্যায় মনোযোগ দিতে হয়, এ কারণে অনেক নারী পড়ালেখা বাদ দিয়ে দেন। তবে ১৯ সন্তানের মা হয়েও ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন সৌদি আরবের এক নারী ।
হামদা আল রুয়াইলি নামে এ নারী ১০ ছেলে ও ৯ মেয়ের মা। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম আল এখবারিয়াকে জানিয়েছেন, সন্তানদের দেখাশুনা, কাজ এবং পড়াশোনা একইভাবে চালিয়ে গেছেন তিনি।

মানসিক স্বাস্থ্য খাতের প্রশাসনিক পদে কাজ, সঙ্গে অনলাইনে ব্যবসা করেন হামদা। তিনি বলেন, আমি দিনের বেলা সন্তানদের পরিচর্যা এবং কাজ করি। রাতের বেলা ব্যবসা ও পড়াশোনা চালাই। আমি কোনো ধরনের ঝামেলা চাই না। তাই খুব সতর্কভাবে আমার সারাদিনের পরিকল্পনা সাজাই।
হামদা আল রুয়াইলি জানিয়েছেন, ৪৩ বছর বয়সে পা দেওয়ার আগেই ব্যাচেলর, মাস্টার্স এবং ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি।
১৯ সন্তানকে মানুষ করা খুবই কঠিন কাজ ছিল তার। কিন্তু তিনি শিক্ষক এবং সেনা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছেন। হামদা বলেন, “এত সন্তান বড় করার ক্ষেত্রে আমার রোল মডেল হলেন সেই শিক্ষক যিনি শিক্ষার্থীভর্তি ক্লাস পরিচালনা করেন। এবং সামরিক অফিসার যারা বিপুল সেনাকে নিয়ন্ত্রণ করেন।” তিনি আরও বলেন, “আমার জন্য একটি সন্তানকে বড় করা, ১০ সন্তানকে বড় করার সমান। আমি তাদের প্রয়োজন নিয়ে কাজ করি, লক্ষ্য অর্জনে তাদের সাহায্য করি এবং তারা যেন নিজেদের ইচ্ছাগুলো পূরণ করতে পারে সেজন্য তাদের অনুপ্রেরণা দেই।”

হামদা জানিয়েছেন, তার সন্তানরাও পড়ালেখায় বেশ ভালো। তার এক মেয়ে এতটাই মেধাবী যে কিং আব্দুল আজিজ সেন্টার তার পড়ালেখার খরচ বহন করে।

অনেক বাধা বিপত্তি আসলেও পড়ালেখা থেকে কখনো বিচ্যুত হননি জানিয়ে সৌদির এই নারী বলেন, “এত সন্তানের মা হিসেবে আমার অনেক দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও, আমি আমার শিক্ষার স্বপ্নকে বাদ দেইনি। আল্লাহকে ধন্যবাদ, এই সাফল্যটা সহজ ছিল না। কিন্তু এটি পরিকল্পনা এবং পরিবারের সমর্থনের ফল।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page