শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসা, অনুদান ও উপহার বিতরণ মীরসরাই সহ পুরো চট্টগ্রাম জুড়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ও ফ্যাসিবাদের দোসর সাংবাদিকতা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল ও কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে পৌর বিএনপি। ইবনে সিনা কোম্পানির শ্রমিক হত্যার বিচারের দাবীতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন। কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ৫,৭০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক ভালুকায় ভারতীয় ৯০ বোতল মদ ও প্রাইভেটকার সহ আটক -১ বোরো ধান কর্তনের মধ্য দিয়ে করিমগঞ্জে কৃষি মৌসুমের সূচনা চট্টগ্রামের মীরসরাইতে ভূঁইফোঁড় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অবাধ ছড়াছড়ি, প্রকৃত সাংবাদিকদের মান বাঁচানো ও দায় হয়ে পড়েছে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন আমি আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত নই, সুতরাং দোসর হলাম কি ভাবে? এমন প্রশ্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের?

টঙ্গীতে অপরাধ দমনে সাহসী যোদ্ধা: আতঙ্কের নাম ওসি ফরিদুল ইসলাম

বি. এম. আশিক হাসান, (জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক):

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফরিদুল ইসলাম বর্তমানে ওই এলাকার অপরাধীদের কাছে এক আতঙ্কের নাম। ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর তিনি টঙ্গী পূর্ব থানায় যোগদানের পর থেকেই এলাকার আইনশৃঙ্খলার চিত্রে লেগেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তার নেতৃত্বে থানা এলাকাজুড়ে শুরু হয় অপরাধ দমনের সুপরিকল্পিত অভিযান।

পূর্বে টঙ্গী এলাকা বিশেষ করে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আশেপাশে ছিনতাই, চুরি, ডাকাতির মতো অপরাধ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। সন্ধ্যার পর রাস্তায় চলাফেরা করাই যেন ছিল জনসাধারণের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এমনকি গণমাধ্যমকর্মীরাও ছিনতাইকারীদের হাত থেকে রেহাই পেতেন না।

কিন্তু ওসি ফরিদুল ইসলামের কঠোর তৎপরতা ও নিরলস পরিশ্রমের ফলে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। তিনি টহল জোরদার করেন, চালু করেন মোবাইল টেকিং অপারেশন। এই অপারেশনের মাধ্যমে ছিনতাইকারীদের গ্রেফতার ও ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করে তা ভুক্তভোগীদের কাছে ফিরিয়ে দেন—যা সাধারণ মানুষের মনে আস্থা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জুন মাসের ১ তারিখ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত ৫২ জন এবং দায়িত্ব গ্রহণের পর ছয় মাসে মোট ২৭৫ জন ছিনতাইকারী গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার নেতৃত্বে ডাকাতির প্রস্তুতি, দস্যুতা, চুরি ও ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধগুলোতে এসেছে আশাব্যঞ্জক হ্রাস।

একান্ত সাক্ষাৎকারে জিবিসি টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদককে ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, “আমি যখন পুলিশের চাকরিতে যোগ দিই, তখনই শপথ নিয়েছিলাম—সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে মানুষের সেবা করবো। আমি কখনো দায়িত্ব অবহেলা করিনি এবং সর্বদা চেষ্টা করেছি নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে জনগণের পাশে থাকতে।”

তিনি আরও বলেন, “যেকোনো মুহূর্তে যখনই অপ্রীতিকর কিছু ঘটেছে, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি। অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতার করেছি। এই কাজে আমার ঊর্ধ্বতন ও সহকর্মীরা যেমন পাশে ছিলেন, তেমনি গণমাধ্যমকর্মীরাও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে অনেক সাহায্য করেছেন।”

সাধারণ জনগণের পাশাপাশি সামাজিক নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যম ও সহকর্মীরা ওসি ফরিদুল ইসলামের কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দায়িত্বপালনের শেষ দিন পর্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page