শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসা, অনুদান ও উপহার বিতরণ মীরসরাই সহ পুরো চট্টগ্রাম জুড়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ও ফ্যাসিবাদের দোসর সাংবাদিকতা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল ও কুশপুত্তলিকা দাহ করেছে পৌর বিএনপি। ইবনে সিনা কোম্পানির শ্রমিক হত্যার বিচারের দাবীতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন। কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ৫,৭০০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন আটক ভালুকায় ভারতীয় ৯০ বোতল মদ ও প্রাইভেটকার সহ আটক -১ বোরো ধান কর্তনের মধ্য দিয়ে করিমগঞ্জে কৃষি মৌসুমের সূচনা চট্টগ্রামের মীরসরাইতে ভূঁইফোঁড় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অবাধ ছড়াছড়ি, প্রকৃত সাংবাদিকদের মান বাঁচানো ও দায় হয়ে পড়েছে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন আমি আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত নই, সুতরাং দোসর হলাম কি ভাবে? এমন প্রশ্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের?

ধানমন্ডিতে জোড়া খুনের মামলার রায় ১৭ ফেব্রুয়ারি

ছয় বছর আগে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় এক শিল্পপতির শাশুড়ি ও গৃহকর্মীকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাওহীদা আক্তারের আদালত এ তারিখ ধার্য করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী খলিলুর রহমান (আসাদ) এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আজ মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিলো। এজন্য কারাগারে থাকা দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি তারিখ ধার্য করেন আদালত।
আসামিরা হলেন- বাসার কর্মী বাচ্চু মিয়া এবং কাজের মেয়ে সুরভী আক্তার নাহিদ।

২০১৯ সালের ১ নভেম্বর রাতে শিল্পপতি কাজী মনির উদ্দিন তারিমের শাশুড়ি আফরোজা বেগম (৬৫) এবং তার গৃহকর্মী দিতির (১৮) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা ধানমন্ডির ‘লোবেলিয়া হাউজ’ নামের একটি ভবনের পঞ্চম তলার থাকতেন। ওই বাসায় দুজনকেই গলাকেটে হত্যা করা হয়। আফরোজা যে ফ্ল্যাটে থাকতেন, আর তার উল্টো দিকের ফ্ল্যাট এবং তার ঠিক উপরে ছয়তলার ফ্ল্যাট নিয়ে ডুপ্লেক্সে বাসায় স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকেন তার মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা। ঘটনার দুদিন পর তিনি মামলাটি দায়ের করেন।
২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের তদন্ত শেষে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান। তারা হলেন, আফরোজা বেগমের বাসার কর্মী বাচ্চু মিয়া এবং কাজের মেয়ে সুরভী আক্তার নাহিদ। ওই বছরের ১১ অক্টোবর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ৩২ সাক্ষীর মধ্যে ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Like Our Page