শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা ৫ আগস্ট জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের ২য় বর্ষপূর্তি উদযাপন, আমার এলাকায় কোন সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ থাকবে না। এলাকা এবং জনগণের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। — এমপি মজিবুর রহমান। চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের নিজামপুর-ভোরের বাজার সড়ক সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন নুরুল আমিন এমপি শ্রীপুরের নয়নপুর-বরমী আঞ্চলিক সড়কে এখন ধান চাষ কর্তৃপক্ষের কি কোনো দায় নেই ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সাফল্য, ৬ বছরে ডক্টরটাইমের ৯.৫ লাখ ভিডিও পরামর্শ কাশিমপুর ভূমি অফিসে দাপ্তরিক কাজে অযোগ্যতা, এবং বহিরাগত দালাল মারফত বিভিন্ন কার্য সম্পাদনের দায়ে অভিযুক্ত সবাইকে বরখাস্ত। বাংলাদেশ-নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে: মির্জা ফখরুল ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচ (১ম পর্যায়ে) এর প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে পিকআপ- মোটরসাইকেল সংঘর্ষে মসজিদের ইমাম-খতিব ও মুয়াজ্জিন নিহত

কিশোরগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে আলোচনা সভা, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় কিশোরগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. নাজমুল করিম এবং সরকারি গুরুদয়াল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সিদ্দিক উল্লাহ।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কিশোরগঞ্জ জেলা আমীর অধ্যাপক মো. রমজান আলী ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী ইসরাইল মিয়া। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা এবং সর্বস্তরের মানুষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের একটি ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় দিন। ছাত্র-জনতা, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ এবং বহু তাজা প্রাণের বিনিময়ে দেশ নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা আহত হয়ে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাদের পরিবারগুলোর পাশে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে দাঁড়াতে হবে। তাদের সম্মান, সহযোগিতা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করাই হবে আত্মত্যাগের প্রকৃত মূল্যায়ন।

পরে আলোচনা সভা শেষে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page