এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইতে চাঁদাবাজি-ধান্দাবাজি সহ নানাবিধ: অপকর্মে ধরা পড়ে পিটুনি ৩ জন খেলে ও কমছে না অপ সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য।
বাংলাদেশের কোথাও এই রকম আছে কি না জানা নেই!
তবে, বাস্তবতা হলো- উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গজে উঠা সাংবাদিক নামধারী কিছু দুরন্তর ব্যাক্তিকে ইদানীং দেখা যাচ্ছে- বিভিন্ন টিভি চ্যানেল এর আইডি কার্ড সমেতো নিজের পকেটের টাকা দিয়ে মাইক্রো ফোন/বুম কিনে নিয়ে তা ব্যবহার করে বিএনপি’র নেতা কর্মীদের ধোকা দিয়ে টাকা কামিয়ে নিচ্ছে! আসলে ওই সব বিএনপি’র নেতা কর্মীরা কি জানে যে, তারা সত্যিকার টিভি চ্যানেল এর প্রতিনিধি/সাংবাদিক কি না?
ওরা এতোটাই চালাক যে, টিভি চ্যানেল এর লোগো সম্বলিত মাইক্রো ফোন/বুম হাতে নিয়ে বিএনপি’র বিভিন্ন প্রোগ্রামে যায়। এবং তারা কোনো কোনো বিএনপি নেতার মুখের সামনে ওই মাইক্রো ফোন/বুম ধরে সাক্ষাতকার নিয়ে থাকে! সাক্ষাতকার প্রদান কারী ওই সব অজ্ঞ রাজনৈতিক নেতারা কি আর বলতে পারে তার ওই সাক্ষাতকার কোন্ টিভি চ্যানেল এর কয়টার সংবাদে দেখাবে?
অবশ্য, ওই সব চালাক-চতুর সাংবাদিকরা টাকা নেয়া ওই সব বিএনপি’র নেতাদের চোখে ধুলো দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে খোলা তাদের আইডির পাশাপাশি পেজ এ ওই সব টিভি চ্যানেল এর লোগো লাগিয়ে তা আপলোড করে দেয়। পেজ এর ভিডিওতে বা সাক্ষাতকারে টিভি চ্যানেল এর লোগো লাগিয়ে তা প্রচার করে। আর তা ওই সব বিএনপি’র রাজনৈতিক অনভিজ্ঞ নেতাদেরকে ট্যাগ দেয়।
তা দেখে তারা তো মহা খুশি যে, তাদেরকে টিভি চ্যানেল এ দেখা গেছে!
ওই সব ব্যাক্তিদেরকে ইতিমধ্যে পেশাদারী সাংবাদিক সহ অন্যান্য লোকজন ফেইজবুক সাংবাদিক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। যাহা বিএনপি’র ওই সব নেতাদেরকে ও জানার এবং বুঝার দরকার রয়েছে বলে ও মনে করছেন অনেকেই।
এ ছাড়া বিভিন্ন আইপি/ইউটিউব চ্যানেল এর ও রয়েছে অনেক ধান্দাবাজ ব্যাক্তি। যারা নিজেদেরকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মীরসরাইয়ের সর্বোত্র। এবং মত্ত রয়েছে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি সহ নানাবিধ: অবৈধ ও অনৈতিক কর্ম সাধনে। ইতিমধ্যে ওই রকম ৩ সাংবাদিক নামধারী ব্যাক্তিকে চাঁদাবাজি ও প্রতারণা সহ নানাবিধ: অবৈধ এবং অনৈতিক কর্মের কারণে ধরে পিটুনি দিয়ে বেঁধে ও রাখা হয়েছিলো। আর তাদের কারণে মীরসরাইতে দায়িত্ব রত: বিভিন্ন দামি দামি পত্রিকার প্রবীণ/ আসল পেশাদারী সাংবাদিকদের মানসম্মান টিকিয়ে রাখা ও দ্বায় হয়ে পড়েছে।