বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে জে এম সেন হলে দুর্গা পুজা মন্ডব পরিদর্শন ও সনাতনী সম্প্রদায়ের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান* চট্টগ্রামে দীর্ঘ ৪০ বছরের ইতিহাসে প্রথম জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বললেন সংখ্যালঘু বলে কিছু নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশী মীরসরাইয়ের আওয়ামী দলীয় বিনা ভোটের এমপি রুহেলের বিরুদ্ধে রেলের জমি দখল ও ১ কোটি ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলা দুদক’র মঙ্গলবার একই দিনে চট্টগ্রামে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা ডাঃ শফিকুর রহমান নিরাপত্তা জোরদার চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের ওসমানপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৩ ছাত্রদল নেতার মধ্যে নিহত ১ আহত ২ ঢাকা ৪ ও ৫ সাবেক এমপি আলহাজ্ব সালাউদ্দিন আহমেদের ইন্তেকালে চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট কলেজ মাঠে নুরুল আমিন এমপি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ঝাঁকঝমক পূর্ন উদ্বোধন চট্টগ্রামের মীরসরাইতে চাঁদাবাজি-ধান্দাবাজি সহ নানাবিধ: অপকর্মে ধরা পড়ে পিটুনি ৩ জন খেলে ও কমছে না অপ সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য আর কোনো দিন চুয়েটে ফিরবে না মর্মে মুচলেকা দিয়ে অবরুদ্ধ থেকে ডিসি এসপি’র সহায়তায় পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাস ছাড়লেন উপাচার্য কিশোরগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, পুলিশ সদস্যদের কঠোর বার্তা এসপির

চট্টগ্রামে দীর্ঘ ৪০ বছরের ইতিহাসে প্রথম জেএম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বললেন সংখ্যালঘু বলে কিছু নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশী

এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
বাংলাদেশে ‘সংখ্যালঘু’ বা ‘সংখ্যাগুরু’ বলে কোনো বিভাজন স্বীকার করা হবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান-ধর্ম যার যার নিজস্ব বিষয়।
কিন্তু, আমাদের একমাত্র ও মূল পরিচয়-আমরা সবাই বাংলাদেশী।
২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর রহমতগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নিজের প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক কারণে আমাকে দীর্ঘদিন দেশের বাইরে লন্ডনে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে আমি সংখ্যাগুরু ধর্মের মানুষ হলেও লন্ডনে সেই পরিচয় আমাকে সংখ্যাগুরু করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় দিয়ে নাগরিকদের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরি করা যাবে না। রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যেক মানুষের নাগরিক পরিচয়ই শেষ কথা।
মুক্তিযুদ্ধ ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক ত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন কিংবা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান-কোনো লড়াইয়েই মানুষ ধর্মীয় পরিচয় দেখে রাজপথে নামেনি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যখন রাস্তায় আমার ভাই গুলিবিদ্ধ হয়েছে, তখন তাকে ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় কেউ তার ধর্ম জানতে চায়নি। রক্ত দেয়ার সময় যদি কেউ ধর্ম না দেখে, তবে রাষ্ট্র পরিচালনায় কেনো ধর্মীয় বিভাজন থাকবে?
আইনের শাসন ও নাগরিক অধিকারের বিষয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দেশের আইন ও সংবিধান সবার জন্য সমান ভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার দেবে, অন্য নাগরিককেও ঠিক সমান সুযোগ দেবে। ধর্মীয় বা সামাজিক পরিচয়ের কারণে কারো নাগরিক অধিকার খর্বকরার সুযোগ নেই।
নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বীর শহীদদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন ও শান্তিময় দেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি দেশের সকল ধর্মের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা চাই। হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকলে মিলেমিশে কাজ না করলে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো না।
সমাবেশে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ্ উদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন এবং চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবুর শামীম সহ সরকারের শীর্ষ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page