সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের বড়তাকিয়াস্থ রিলাক্স জোন আবাসিক হোটেলে পুলিশের উপ- পরিদর্শক নিহত, রক্তাক্ত আহত স্ত্রী ও শিশু সন্তান শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় ‘ক্যাফে আফছার’ হোটেলকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান কদমতলীতে অপটিকসের দোকান থেকে ৫টি ককটেল উদ্ধার, আটক ১ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে চট্টগ্রামের যারা রয়েছেন তাদের মাধ্যমে চট্টগ্রামের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হবে, সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে …. বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অকাল প্রয়াত রফিকুলের পরিবারে অন্ধকার: তিন হাফেজ সন্তানের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে আকুল আবেদন চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, পরিবারের সদস্যদের হাত পা বেঁধে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট ভালুকার ভরাডোবায় হিজড়া সম্প্রদায়ের উৎপাত নিয়ে জনদুর্ভোগ,কর্মসংস্থানের দাবি এলাকাবাসীর গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সাংবাদিকের ক্যামেরা ও টাকা লুট; মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি। গাজীপুরে ১৫ বস্তা মাদক সহ দুই জন কে আটক করেছে র‍্যাব,

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের বড়তাকিয়াস্থ রিলাক্স জোন আবাসিক হোটেলে পুলিশের উপ- পরিদর্শক নিহত, রক্তাক্ত আহত স্ত্রী ও শিশু সন্তান

এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার বড়তাকিয়া বাজারস্থ ‘রিলাক্স জোন’ নামে একটি আবাসিক হোটেলে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক নিহত ও রক্তাক্ত আহতাবস্থায় স্ত্রী এবং ছোট্ট শিশুকে উদ্ধার করে থানা পুলিশকে খবর জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত পুলিশের ওই উপ পরিদর্শকের নাম আমিনুল হক (৩৬)। তিনি মীরসরাই উপজেলার ১২ নং খৈইয়াছড়া ইউনিয়নের আব্দুল হক মাষ্টার বাড়ির মৃত আবুল হোসেনের পুত্র বলে পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আমিনুল হক রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় পুলিশ লাইনে উপ পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সূত্র জানায়, নিহত হওয়া পুলিশের ওই উপ পরিদর্শকের লাশের পাশে তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার (২৯) ও মাত্র দশ মাস বয়সী কন্যা সন্তান ফাতেয়া আক্তারকে ও রক্তান্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা দাবি করে বলেন, নিহত আমিনুল হকের সাথে দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রীর পারিবারিক বনিবনা হীন বিরোধ ছিলো। গতকাল দুপুরে সন্তানের জন্মনিবন্ধন তৈরি কথা বলে তারা বাড়ি থেকে বের হয়েযায়।
পরে ওই আবাসিক হোটেল থেকে আমিনুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এবং সেখানে স্ত্রী ও তার দশ মাসের সন্তান ও রক্তাক্ত আহতাবস্থায় ছিলো বলে প্রত্যেকদর্শীরা জানায়।
একটি সূত্র জানায়, আমিনুল হক নিহত হওয়ার আগে স্ত্রী ও সন্তান কে আঘাত করা হয়।
তবে, ঘটনা কে বা কারা ঘটিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ ঘটনা উদ্ঘাটন করার বিষয়ে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page