এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
মীরসরাইয়ের সাংবাদিক সমাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখনির প্রাসঙ্গিক বিষয়।
উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার করেরহাট বাজারে কামরুল ইসলাম নামে একজন সাংবাদিকের ওপর নাকি হামলা হয়েছিলো। আর সেই ঘটনার প্রতিবাদে মীরসরাইয়ের অনেক সাংবাদিকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে নিন্দা- প্রতিবাদের ঝড় তুলে লিখে ছিলো অবিরাম।
এবং এর প্রতিবাদে গতকাল মীরসরাই সদরে মানববন্ধন করে কঠোর ভাষায় এর প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য ও রেখেছেন একাধিক সাংবাদিক।
যার প্রয়োজন ও রয়েছে বলে মন করা হচ্ছে।
তবে, প্রশ্ন জাগাটা স্বাভাবিক যে , বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এ প্রতিবেদকের ওপর পর পর ৪ বার হামলা চালিয়ে যখন রক্তাক্ত আহত করা হয় ( রক্তমাখা সার্ট ও একাধিক সাংবাদিকের চোখে পড়ে ছিলো) এবং প্রায় লাখ টাকার জিনিস লুটে নেয়া হয়েছিলো তখন তো কোনো সাংবাদিক এখনকার মতো প্রতিবাদ- মানববন্ধন করা তো দূরের কথা একটু শান্তনা দেয়ার মতো ও কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি!?
তবে, এ ও বলাবাহুল্য যে, তখনকার প্রেক্ষাপট আর এখনকার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন।
তথাপি, সকল সাংবাদিকদের মধ্যে একটু সোচ্চারতার মনোভাব থাকার দরকার হলে ও সকল সাংবাদিক (গতকাল যে সব সাংবাদিকরা মানববন্ধন করলেন তারা) রা ছিলো একেবারেই নিরব দর্শকের মতো! কেনো তা?
সেই সময়কার কথা এবং সেই সময়কার সাংবাদিকদের প্রশ্নাতীত ভুমিকায় কিছু টা ক্ষোভ থাকলে ও এখনকার সবাই সোচ্চার ভূমিকা রাখার জন্য ধন্যবাদ জানাতেই হয়।
যদিও বা ওই সাংবাদিক কামরুল ইসলাম এর ওপর হামলার ঘটনাটি নিছক একটি সামাজিক ও পারিবারিক ঘটনা বলে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে এবং যাদেরকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে তাদের।
তারা দাবি জানিয়ে বলছেন- ওই সাংবাদিক কামরুল ইসলাম ও তার ভাই সহ আরো কয়েকজন মিলে করেরহাট ইউনিয়নের এক যুবদল নেতাকে মারধর করে নাক ফাটিয়ে দেয়া হলে তার পক্ষের লোকজনের সাথে ঘটনা ঘটে। প্রক্ষান্তরে ওই সাংবাদিকের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলা হয়- করেরহাট ইউনিয়নের ফরেস্ট অফিস এলাকা সহ অন্যান্য এলাকায় চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ড নিয়ে পত্রিকায় নিউজ করার কারণে তার ওপর হামলা চালানো হয়।
যে, যাই বলুক ঘটনার আলোকে মীরসরাইয়ের অন্যান্য সাংবাদিকরা তাদের একজন সহকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে যে ভাবে লেখালেখি করেছেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।
তবে, বিগত সময়ে এ প্রতিবেদকের ওপর যে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত আহত করা হয়েছিলো তখন কেনো মীরসরাইয়ের সাংবাদিকরা নিরব ছিলো? হয়তো বা ওই সাংবাদিক (এম, এ কাশেম) বিএনপি’র একমাত্র মুখোপত্র দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকার সাংবাদিক বলে?
বলাবাহুল্য যে, যে কোনো সাংবাদিক সাংবাদিক-ই, একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ঘটনায় অন্য সাংবাদিকরা নিরব থাকা শোভনীয় না হলে ও তখন এমন বিতর্কের জন্ম দিয়ে সাংবাদিকতা পেশার ওপর কালিমা লেপন করার সামিলে পরিনত করা হয়েছিলো বলে অনেকের মন্তব্য। অদুর ভবিষ্যতে ওই রকম যেনো আর না হয় সেই বিষয়টি সকল সাংবাদিকদের খেয়ালে রাখা উচিত বলে ও মনে করেন সবাই।