শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৯ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ১৫ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং ১৪ জন বিভিন্ন মামলার আসামি রয়েছেন। কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিল এবং অপরাধ দমনে জেলার বিভিন্ন থানায় একযোগে বিশেষ ও চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ জানায়, গত ১১ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, অপরাধের ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ, সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুযায়ী আগামী দিনগুলোতেও বিশেষ অভিযান চলবে বলে জানানো হয়েছে। একটি নিরাপদ, শান্তিময় ও অপরাধমুক্ত কিশোরগঞ্জ গড়ে তুলতে জেলা পুলিশ সাধারণ জনগণ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেছে। টেকনাফে ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক চট্টগ্রাম শহরের লালদিঘি শাখা অগ্রনী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা গায়েব। ঘটনায় সারা চট্টগ্রাম জুড়ে ব্যাংক সহ সর্বোত্র তোলপাড়, ২জন গ্রেপ্তার শ্রীপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি, সেলাই মেশিন ও সাইকেল বিতরণ, মীরসরাইয়ে এমপি’ উদ্যোগে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো’র স্মৃতি ধরে রাখতে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের বড়তাকিয়াস্থ রিলাক্স জোন আবাসিক হোটেলে পুলিশের উপ- পরিদর্শক নিহত, রক্তাক্ত আহত স্ত্রী ও শিশু সন্তান শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় ‘ক্যাফে আফছার’ হোটেলকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান কদমতলীতে অপটিকসের দোকান থেকে ৫টি ককটেল উদ্ধার, আটক ১ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে চট্টগ্রামের যারা রয়েছেন তাদের মাধ্যমে চট্টগ্রামের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হবে, সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে …. বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চট্টগ্রাম শহরের লালদিঘি শাখা অগ্রনী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা গায়েব। ঘটনায় সারা চট্টগ্রাম জুড়ে ব্যাংক সহ সর্বোত্র তোলপাড়, ২জন গ্রেপ্তার

এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

চট্টগ্রাম শহরের কোতোয়ালী থানার লালদিঘি এলাকায় অবস্থিত আগ্রণী ব্যাংক পিএলসির করপোরেট শাখার ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ‘গায়েব’ হয়ছ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ব্যাংকের ২জন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত ২জন হলেন সিনিয়র অফিসার ও ক্যাশ ইনচার্জ মোঃ কামরুল হোসেন (৪২) এবং সিনিয়র অফিসার মোঃ জাফরুল্লাহ তানভীর (২৮)।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভল্টের ওই টাকা গ্রাহকদের জমা দেয়ার অর্থ।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ক্যাশ ও ভল্টের দায়িত্বে থাকা কামরুল হোসেন ৯ আগস্ট নিয়মিত ব্যাংকিং কার্যক্রম শেষে হিসাবের সাথে ভল্টে থাকা টাকার পরিমাণে গরমিল দেখতে পান। পরে ভল্টের রেকর্ড, নথি ও সংশ্লিষ্ট হিসাব পর্যালোচনা করে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার ঘাটতি পাওয়া যায়।
কামরুল হোসেন এ বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওই রাতেই অগ্রণী ব্যাংকের লালদীঘি পূর্ব করপোরেট শাখার জেনারেল ম্যানেজার মোস্তাক আহমেদ কামরুল হোসেন, জাফরুল্লাহ তানভীর সহ অজ্ঞাত আরো একাধিকজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, ভল্টে টাকা রাখার সময় বড় বান্ডেলের ভেতরে ১ হাজার টাকা বা তার কম মূল্যমানের নোট ঢুকিয়ে বান্ডেল তৈরি করা হতো। এতে হিসাবে উল্লেখ করা পুরো টাকা ভল্টে আছে বলে মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে টাকার পরিমাণ কম থাকতো।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ভল্ট থেকে সরানো টাকা বিশেষ ব্যবস্থায় জাফরুল্লাহ তানভীরের কাছে বিনিয়োগ করা হয়। ওই টাকা দিয়ে হাটহাজারীর উত্তর বুড়িশ্চরে ‘ইশরাত এগ্রো’ নামে একটি গরুর খামার গড়ে তোলা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, খামারটিতে বর্তমানে বিভিন্ন জাতের প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি গরু রয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, আসামিদের কাছ থেকে ২টি মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপের যোগাযোগের রেকর্ড ও তথ্য এবং ৬৪ জিবির একটি পেনড্রাইভ জব্দ করা হয়েছে।
ইকবাল হোসেন বলেন, ‘মামলাটি তদন্তাধীন। ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মোহাম্মদ নাজমুন নূর বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে মামলা হয়েছে। ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
এদিকে আগ্রণী ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ মোতাহের হোসেন বলেন, টাকার ঘাটতি ও এতে কারা জড়িত, তা নির্ধারণে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা চলছে।
তিনি বলেন, ‘নিরীক্ষা শেষ হলে বিস্তারিত জানা যাবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৯ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ১৫ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং ১৪ জন বিভিন্ন মামলার আসামি রয়েছেন। কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিল এবং অপরাধ দমনে জেলার বিভিন্ন থানায় একযোগে বিশেষ ও চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ জানায়, গত ১১ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, অপরাধের ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ, সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুযায়ী আগামী দিনগুলোতেও বিশেষ অভিযান চলবে বলে জানানো হয়েছে। একটি নিরাপদ, শান্তিময় ও অপরাধমুক্ত কিশোরগঞ্জ গড়ে তুলতে জেলা পুলিশ সাধারণ জনগণ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেছে।

Our Like Page

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৯ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ১৫ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং ১৪ জন বিভিন্ন মামলার আসামি রয়েছেন। কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিল এবং অপরাধ দমনে জেলার বিভিন্ন থানায় একযোগে বিশেষ ও চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ জানায়, গত ১১ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, অপরাধের ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ, সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুযায়ী আগামী দিনগুলোতেও বিশেষ অভিযান চলবে বলে জানানো হয়েছে। একটি নিরাপদ, শান্তিময় ও অপরাধমুক্ত কিশোরগঞ্জ গড়ে তুলতে জেলা পুলিশ সাধারণ জনগণ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেছে।